৫২/১৭. অধ্যায়ঃ

প্রশংসায় আতিশয্য অপছন্দনীয় যা জানা তাই বলতে হবে।

অতিরিক্ত প্রশংসা কেন বিপজ্জনক: সহিহ বুখারীর শিক্ষা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৬৬৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ صَبَّاحٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا بُرَيْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً يُثْنِي عَلَى رَجُلٍ، وَيُطْرِيهِ فِي مَدْحِهِ فَقَالَ ‏ "‏ أَهْلَكْتُمْ ـ أَوْ قَطَعْتُمْ ـ ظَهْرَ الرَّجُلِ ‏"‏‏.

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে অপর এক ব্যক্তির প্রশংসা করতে শুনে বললেন, তোমরা তাকে ধ্বংস করে দিলে কিংবা (রাবীর সন্দেহ) বলেছেন, তোমরা লোকটির মেরুদণ্ড ভেঙে ফেললে।

সহীহ বুখারী হাদিস ২৬৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) একজন ব্যক্তিকে আরেকজনের প্রশংসা করতে শুনে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, তোমরা তাকে ধ্বংস করে দিলে, অথবা লোকটির মেরুদণ্ড ভেঙে দিলে। কথাটি খুব শক্ত, কারণ মানুষের সামনে অতিরিক্ত প্রশংসা তার অন্তরে অহংকার বা আত্মতৃপ্তি তৈরি করতে পারে। আবার মানুষ নিজের সীমা ভুলেও যেতে পারে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ভালো কথা বললেও ভারসাম্য দরকার। কারও গুণ থাকলে তা স্বীকার করা যায়, কিন্তু বাড়িয়ে বলা বা এমনভাবে বলা উচিত নয়, যা তাকে আত্মপ্রসাদে ফেলে। তাই প্রশংসা করতে হলে সংযত, সত্যভিত্তিক এবং আল্লাহভীরু ভাষা ব্যবহার করা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • প্রশংসা ভালো হলেও অতিরিক্ত প্রশংসা ক্ষতিকর হতে পারে।
  • কারও সামনে এমন কথা বলা ঠিক নয়, যা তাকে অহংকারে ফেলতে পারে।
  • ভালো গুণ উল্লেখ করতে হলে সত্য ও সংযম বজায় রাখা দরকার।
  • মুমিনের কথা হওয়া উচিত ভারসাম্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন