৪৯/১৬. অধ্যায়ঃ
যে ক্রীতদাস উত্তমরূপে তার মহান প্রভুর (আল্লাহর) ইবাদত করে আর তার মালিকের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।
ক্রীতদাসের দ্বিগুণ সওয়াব হাদিস: ইবাদত ও দায়িত্ব পালনের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৫৪৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৪৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعَبْدُ إِذَا نَصَحَ سَيِّدَهُ وَأَحْسَنَ عِبَادَةَ رَبِّهِ كَانَ لَهُ أَجْرُهُ مَرَّتَيْنِ ".
ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ক্রীতদাস যদি তার মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয় এবং তার প্রতিপালকের উত্তমরূপে ইবাদত করে, তাহলে তার সাওয়াব হবে দ্বিগুণ।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ক্রীতদাস যদি তার মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয় এবং তার রবের উত্তমভাবে ইবাদত করে, তাহলে তার সওয়াব দ্বিগুণ হবে। এখানে দুটি বিষয় একসাথে এসেছে—আল্লাহর ইবাদত এবং নিজের দায়িত্বে বিশ্বস্ত থাকা। হাদিসটি ক্রীতদাসের অবস্থার কথা বললেও মূল শিক্ষা হলো দায়িত্ব পালনে সততা এবং আল্লাহর ইবাদতে ভালো থাকা। “ক্রীতদাসের দ্বিগুণ সওয়াব” কীওয়ার্ডে যারা খুঁজবেন, তারা এই হাদিসে স্পষ্ট উত্তর পাবেন যে দ্বিগুণ সওয়াবের কারণ হলো আল্লাহর হক আদায় এবং মনিবের প্রতি হিতাকাঙ্ক্ষা। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত সামাজিক বা আইনগত দাবি না এনে হাদিসের শব্দেই সীমাবদ্ধ থাকা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর উত্তম ইবাদত সওয়াবের বড় কারণ।
- নিজ দায়িত্বে হিতাকাঙ্ক্ষী ও বিশ্বস্ত থাকা প্রশংসনীয়।
- ক্রীতদাসের জন্য দ্বিগুণ সওয়াবের কথা হাদিসে এসেছে।
- দ্বিগুণ সওয়াবের বিষয়টি ইবাদত ও দায়িত্ব—দুই দিকের সঙ্গে যুক্ত।
