৪৯/১০. অধ্যায়ঃ
ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রয় বা দান করা।
ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব: বিক্রি ও দান নিষেধের হাদিস
সহিহ বুখারী : ২৫৩৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৩৫
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ، وَعَنْ هِبَتِهِ.
ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।
সহিহ বুখারী হাদিস ২৫৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন উমর (রাঃ) বলেছেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বা ওয়ালা বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা স্পষ্ট। ওয়ালা এমন একটি সম্পর্ক, যা ক্রীতদাস মুক্তির পর নির্দিষ্টভাবে যুক্ত হয়; এটিকে সাধারণ সম্পদের মতো বিক্রি বা দান করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সব অধিকার বাজারে কেনাবেচার বিষয় নয়। কিছু সম্পর্ক ও অধিকার শরিয়তের নির্ধারিত নিয়মে থাকে। তাই ক্রীতদাস মুক্তির পর অভিভাবকত্ব নিয়ে লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানে মূল বিষয় হলো হক, সম্পর্ক এবং লেনদেনে সীমা মানা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্রীতদাসের ওয়ালা বিক্রি করা নিষিদ্ধ বলা হয়েছে।
- ওয়ালা দান করার বিষয়েও নবী (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
- সব অধিকার সম্পদের মতো লেনদেনযোগ্য নয়।
- মুক্তির পর সম্পর্ক ও হকের নিজস্ব বিধান আছে।
