৪৯/৫. অধ্যায়ঃ
কেউ ক্রীতদাসের নিজের অংশ আযাদ করে দিলে এবং তার জরুরি অর্থ না থাকলে চুক্তিবদ্ধ ক্রীতদাসের মত তাকে অতিরিক্ত ক্লেশ না দিয়ে আয় করতে বলা হবে।
শরীকি ক্রীতদাসের অংশ মুক্ত করা: সংক্ষিপ্ত হাদিসের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৫২৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫২৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، سَمِعْتُ قَتَادَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي النَّضْرُ بْنُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم {مَنْ أَعْتَقَ شَقِيصًا مِنْ عَبْدٍ }
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, “কেউ শরীকি ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ মুক্ত করে দিলে........”।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৫২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথা হিসেবে এসেছে, কেউ শরীকি ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ মুক্ত করলে—এর পরের অংশ এখানে পূর্ণভাবে উল্লেখ নেই। একই বিষয়ের অন্যান্য কাছাকাছি বর্ণনায় দেখা যায়, এমন অবস্থায় মুক্তকারীর সামর্থ্য, ক্রীতদাসের মূল্য নির্ধারণ এবং শরীকদের হক আদায়ের কথা আসে। তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসের ব্যাখ্যায় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এখানে মূল বাক্যটি অসম্পূর্ণভাবে এসেছে। তাই এর সরাসরি শিক্ষা হলো: শরীকি মালিকানায় ক্রীতদাস মুক্তির বিষয়টি আলাদা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়েছে। দাসমুক্তি শুধু ব্যক্তিগত ইচ্ছা নয়; এর সঙ্গে অংশীদারি, অধিকার এবং ন্যায্যতার সম্পর্ক আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শরীকি ক্রীতদাসের অংশ মুক্তির বিষয়টি হাদিসে আলাদা করে এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ব্যাখ্যা করতে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
- শরীকি মালিকানায় অন্যদের অধিকার বিবেচনা করা জরুরি।
- দাসমুক্তির আলোচনায় ন্যায় ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা পাওয়া যায়।
