৪৪/৮. অধ্যায়ঃ
হারাম শরীফে (কাউকে) বেঁধে রাখা এবং বন্দী করা।
وَاشْتَرَى نَافِعُ بْنُ عَبْدِ الْحَارِثِ دَارًا لِلسِّجْنِ بِمَكَّةَ مِنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ عَلَى أَنَّ عُمَرَ إِنْ رَضِيَ فَالْبَيْعُ بَيْعُهُ وَإِنْ لَمْ يَرْضَ عُمَرُ فَلِصَفْوَانَ أَرْبَعُ مِائَةِ دِينَارٍ وَسَجَنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ بِمَكَّةَনাফি ইবন আবদুল হারিস (রহ.) কয়েদখানা বানাবার উদ্দেশে মক্কায় সাফওয়ান ইবন উমাইয়ার কাছ হতে এই শর্তে একটি ঘর ক্রয় করেছিলেন যে, যদি ‘উমার (রা.) রাজী হন তবে ক্রয় পূর্ণ হবে। আর যদি তিনি রাজী না হন তা হলে সাফওয়ান চারশত দিনার পাবে। ইবন যুবাইর (রা.) মক্কায় বন্দী করেছেন।"
সুমামা ইবন উসাল: মসজিদের খুঁটিতে বন্দী রাখার হাদিস
সহীহ বুখারী : ২৪২৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৪২৩
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَيْلاً قِبَلَ نَجْدٍ، فَجَاءَتْ بِرَجُلٍ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ يُقَالُ لَهُ ثُمَامَةُ بْنُ أُثَالٍ فَرَبَطُوهُ بِسَارِيَةٍ مِنْ سَوَارِي الْمَسْجِدِ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) নাজদে একদল অশ্বারোহী সেনাদল পাঠালেন। তারা বনি হানিফা গোত্রের সুমামা ইবন উসাল নামক ব্যক্তিকে নিয়ে এল এবং তাকে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখল।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم) নাজদের দিকে একদল অশ্বারোহী সেনা পাঠানোর কথা এসেছে। তারা বনি হানিফা গোত্রের সুমামা ইবন উসাল নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসে এবং মসজিদের একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। এখানে পুরো ঘটনা বিস্তারিত বলা হয়নি, বরং বন্দীকে আনার বিষয়টি সংক্ষেপে এসেছে। তাই ব্যাখ্যাও এই সীমার মধ্যে থাকা উচিত। হাদিসটি দেখায় যে, সেই সময়ে যুদ্ধ বা অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রিতভাবে রাখা হতো। একই সঙ্গে ঘটনাটি মসজিদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় পাঠকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, কিন্তু এই বর্ণনায় শুধু ঘটনার তথ্যই আছে। তাই এখান থেকে মূল শিক্ষা হলো, বন্দী সংক্রান্ত বিষয় নবীজির জ্ঞাত অবস্থায় ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রিতভাবে রাখা হয়েছিল।
- ঘটনা সংক্ষেপে এসেছে, তাই অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
- বন্দী ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখার দিকটি বোঝা যায়।
- হাদিস বুঝতে মূল বর্ণনার সীমা মেনে চলা জরুরি।
