৪০/১৩. অধ্যায়ঃ
(শরীয়ত নির্ধারিত শাস্তি) দণ্ড প্রয়োগের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করা।
নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির শাস্তি: নুআইমানের ঘটনার হাদিস
সহীহ বুখারী : ২৩১৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৩১৬
حَدَّثَنَا ابْنُ سَلاَّمٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ جِيءَ بِالنُّعَيْمَانِ أَوْ ابْنِ النُّعَيْمَانِ شَارِبًا فَأَمَرَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَانَ فِي الْبَيْتِ أَنْ يَضْرِبُوا قَالَ فَكُنْتُ أَنَا فِيمَنْ ضَرَبَهُ فَضَرَبْنَاهُ بِالنِّعَالِ وَالْجَرِيدِ
উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নুআইমানকে অথবা ইবনু নুআইমানকে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আনা হল। তখন আল্লাহর রসূল (ﷺ) ঘরে উপস্থিত লোকদেরকে তাকে প্রহার করতে আদেশ দিলেন। রাবী বলেন, যারা তাকে প্রহার করেছিল, তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। আমরা তাকে জুতা দিয়ে এবং খেজুর ডাল দিয়ে প্রহার করেছি।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৩১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নুআইমান অথবা ইবনু নুআইমানকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আনার ঘটনা এসেছে। তখন আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) ঘরে উপস্থিত লোকদের তাকে প্রহার করতে আদেশ দেন। বর্ণনাকারী বলেন, যারা প্রহার করেছিল, তাদের মধ্যে তিনিও ছিলেন। তারা তাকে জুতা দিয়ে এবং খেজুর ডাল দিয়ে প্রহার করেন। হাদিসটি নেশা বা মাদকতা যে ইসলামে গুরুতর বিষয়, তা বুঝতে সাহায্য করে। তবে এখানে বর্ণিত ঘটনা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে ও তাঁর নির্দেশে ঘটেছে। তাই এটি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়ার অনুমতি নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, নেশাগ্রস্ত অবস্থাকে হালকা করে দেখা হয়নি এবং সংশোধনের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেশাগ্রস্ত হওয়া গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখা হয়েছে।
- শাস্তি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশে দেওয়া হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে নয়।
- ঘটনায় জুতা ও খেজুর ডাল দিয়ে প্রহারের কথা এসেছে।
- হাদিস থেকে নেশা থেকে দূরে থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়।
