৩৭/১৮. অধ্যায়ঃ
রক্ত মোক্ষণকারীর উপার্জন।
হিজামার মজুরি: নবীজির আমল থেকে শিক্ষা
সহিহ বুখারী : ২২৭৯
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২২৭৯
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ عَنْ خَالِدٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ احْتَجَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ وَلَوْ عَلِمَ كَرَاهِيَةً لَمْ يُعْطِهِ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) শিঙ্গা নিয়েছিলেন এবং শিঙ্গা প্রয়োগকারীকে তার পারিশ্রমিক দিয়েছিলেন। যদি তিনি তা অপছন্দ করতেন তবে তাকে (পারিশ্রমিক) দিতেন না।
সহিহ বুখারী হাদিস ২২৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো হিজামার পারিশ্রমিক। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) শিঙ্গা নিয়েছিলেন এবং শিঙ্গা প্রয়োগকারীকে তার মজুরি দিয়েছিলেন। এরপর বলা হয়েছে, যদি তিনি তা অপছন্দ করতেন, তাহলে তাকে মজুরি দিতেন না। এই বাক্যটি বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে। অর্থাৎ কাজ নেওয়া হলে তার বিনিময় দেওয়া হয়েছে, এবং এই নির্দিষ্ট সেবার পারিশ্রমিক নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে বাস্তবভাবে দেওয়া হয়েছে। প্রধান কীওয়ার্ড হলো হিজামার মজুরি হাদিস। সম্পর্কিত শব্দ হলো শিঙ্গা, শিঙ্গাকারী, পারিশ্রমিক, হালাল মজুরি ও শ্রমের অধিকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) কাজের বিনিময়ে শিঙ্গাকারীকে মজুরি দিয়েছেন।
- কোনো সেবার মজুরি দিলে শ্রমিকের অধিকার রক্ষা হয়।
- অপছন্দ হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তা করতেন না—বর্ণনায় এ ইঙ্গিত আছে।
- শ্রমের বিনিময় স্পষ্টভাবে আদায় করা ভালো।
