৩৭/১৭. অধ্যায়ঃ
কৃতদাসীর কাছ থেকে মাসুল নির্ধারণ এবং বাঁদীর মাসুলের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা।
শিঙ্গা লাগানোর মজুরি ও শ্রমিকের প্রতি দয়া
সহীহ বুখারী : ২২৭৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২২৭৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ حَجَمَ أَبُو طَيْبَةَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَ لَهُ بِصَاعٍ أَوْ صَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ وَكَلَّمَ مَوَالِيَهُ فَخَفَّفَ عَنْ غَلَّتِهِ أَوْ ضَرِيبَتِهِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু তায়বা (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। তিনি তাকে এক সা’ কিংবা দুই সা’ খাদ্য দিতে আদেশ করলেন এবং তার মালিকের সাথে আলোচনা করে তার উপর ধার্যকৃত মাসুল কমিয়ে দিলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২২৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো শিঙ্গা ও মজুরি। আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আবু তায়বা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে এক সা’ বা দুই সা’ খাদ্য দেওয়ার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, তিনি তার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে তার উপর ধার্য করা মাসুল বা কর কমিয়ে দেন। এই হাদিসে শিঙ্গা লাগানোর মজুরি হাদিস, শ্রমিকের অধিকার এবং সহমর্মিতার সুন্দর শিক্ষা আছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) কাজের বিনিময় দিয়েছেন এবং শ্রমিকের ওপর চাপ কমানোর কথাও বলেছেন। এতে বোঝা যায়, শ্রমিকের কষ্ট বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত।
- শ্রমিকের ওপর বাড়তি চাপ থাকলে তা কমানোর চেষ্টা করা ভালো।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) শ্রমিকের প্রাপ্য ও কষ্ট দুটোই বিবেচনা করেছেন।
- শিঙ্গা লাগানোর কাজে মজুরি দেওয়ার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।
