৩৪/৮২. অধ্যায়ঃ
মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা।
মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ: ক্রয়-বিক্রয়ের সহজ শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২১৮৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১৮৭
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمُحَاقَلَةِ وَالْمُزَابَنَةِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত; তাই এর মধ্যে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। আগের বর্ণনাগুলোতে মুযাবানার উদাহরণ এসেছে—শুকনা খেজুরের বদলে গাছের তাজা খেজুর কেনা। এই হাদিস সেই নিষেধকে আবার দৃঢ় করে। এতে বোঝা যায়, ক্রয়-বিক্রয়ে এমন পদ্ধতি এড়াতে হবে যেখানে পণ্যের পরিমাণ, মান বা ফলনের অবস্থা পরিষ্কার নয়। ফল বিক্রি, খেজুর লেনদেন এবং কৃষিপণ্যের বেচাকেনায় সতর্কতা ইসলামী ব্যবসা নীতির একটি বড় অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও লেনদেনের সতর্কতা স্পষ্ট।
- অস্পষ্ট কৃষিপণ্য লেনদেন থেকে দূরে থাকা উচিত।
