৪/৫৫. অধ্যায়ঃ
ঘুমালে উযু করা এবং দুই-একবার তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বা মাথা ঝুঁকে পড়লে উযু না করা।
নামাজে ঘুম এলে: কী পড়ছেন তা বোঝা জরুরি
সহীহ বুখারী : ২১৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১৩
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلاَةِ فَلْيَنَمْ حَتَّى يَعْلَمَ مَا يَقْرَأُ ".
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যদি সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, সে যেন ততক্ষণ ঘুমিয়ে নেয়, যতক্ষণ না সে কী পড়ছে, তা অনুধাবন করতে সক্ষম হয়।
আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২১৩
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সে যেন ততক্ষণ ঘুমিয়ে নেয়, যতক্ষণ না সে কী পড়ছে তা বুঝতে পারে। এখানে সালাতের মনোযোগ ও বোঝার বিষয়টি সামনে এসেছে। শুধু মুখে শব্দ বলা যথেষ্ট নয়; মানুষ কী পড়ছে, তা বুঝতে পারার মতো সচেতন থাকা দরকার। ক্লান্তি বা ঘুম এত বেশি হলে যে পড়া বুঝে হচ্ছে না, তখন বিশ্রাম নেওয়ার নির্দেশ এসেছে। এই হাদিস তন্দ্রাচ্ছন্ন সালাত নিয়ে খুব সহজ ও পরিষ্কার নির্দেশনা দেয়। এটি আমাদের শেখায়, ইবাদতে শরীরের সঙ্গে মনও জাগ্রত থাকা দরকার। তবে হাদিসে শুধু তন্দ্রার অবস্থার কথা বলা হয়েছে, অন্য বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে কী পড়া হচ্ছে তা বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ।
- তন্দ্রা বেশি হলে আগে ঘুমিয়ে নেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- ইবাদতে সচেতনতা ও মনোযোগ দরকার।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) ক্লান্ত মানুষের অবস্থাও বিবেচনা করেছেন।
