৩৩/১৭. অধ্যায়ঃ
রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করা।
রমজানের ইতিকাফ: দশ দিন থেকে বিশ দিনের আমল
সহীহ বুখারী : ২০৪৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০৪৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعْتَكِفُ فِي كُلِّ رَمَضَانَ عَشْرَةَ أَيَّامٍ، فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ يَوْمًا.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) প্রতি রমজানে দশ দিনের ইতিকাফ করতেন। যে বছর তিনি ইন্তিকাল করেন সে বছর তিনি বিশ দিনের ইতিকাফ করেছিলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২০৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিয়মিত ইতিকাফের আমল সংক্ষেপে বলা হয়েছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) জানান, নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রতি রমজানে দশ দিনের ইতিকাফ করতেন। যে বছর তিনি ইন্তিকাল করেন, সে বছর তিনি বিশ দিনের ইতিকাফ করেন। এখানে রমজানের ইতিকাফের গুরুত্ব স্পষ্ট। হাদিসটি কোনো অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেয় না, তবে আমলের ধারাবাহিকতা খুব পরিষ্কারভাবে তুলে ধরে। নিয়মিত ইবাদত একজন মুমিনের জীবনে গভীর প্রভাব রাখে। শেষ বছরে সময় বাড়িয়ে ইতিকাফ করা থেকে বোঝা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم) এই ইবাদতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। তাই রমজানের শেষ দিনগুলোতে ইতিকাফ, নির্জনতা, কুরআন-স্মরণ ও আল্লাহর দিকে মন ফেরানোর সুযোগ হিসেবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইতিকাফ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিয়মিত রমজানি আমল ছিল।
- ভালো আমলে ধারাবাহিকতা রাখা মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
- ইবাদতের সময় বাড়ানো আল্লাহর দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার একটি পথ হতে পারে।
