৩০/৬৪. অধ্যায়ঃ
সওমের (উদ্দেশে) কোন দিন কি নির্দিষ্ট করা যায়?
নবীজির আমল ছিল নিয়মিত ও স্থায়ী
সহীহ বুখারী : ১৯৮৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৮৭
. حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَخْتَصُّ مِنْ الأَيَّامِ شَيْئًا قَالَتْ لاَ كَانَ عَمَلُهُ دِيمَةً وَأَيُّكُمْ يُطِيقُ مَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُطِيقُ
‘আলকামা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আল্লাহর রসূল (ﷺ) কি কোন দিন কোন কাজের জন্য নির্দিষ্ট করে নিতেন? উত্তরে তিনি বললেন, না, বরং তাঁর আমল স্থায়ী হতো এবং আল্লাহর রসূল (ﷺ) যে সব আমল করার শক্তি-সামর্থ্য রাখতেন তোমাদের মধ্যে কে আছে যে সে সবের সামর্থ্য রাখে?
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কি কোনো দিনকে বিশেষ কোনো আমলের জন্য নির্দিষ্ট করে নিতেন? তিনি বলেন, না; বরং তাঁর আমল ছিল স্থায়ী ও নিয়মিত। এরপর তিনি বলেন, নবীজি যে আমল করার সামর্থ্য রাখতেন, তা করার সামর্থ্য সবার নেই। এখানে মূল শিক্ষা হলো ধারাবাহিক আমল। মানুষ অনেক সময় হঠাৎ বেশি আমল করতে চায়, কিন্তু তা ধরে রাখতে পারে না। এই হাদিস আমাদের শেখায়, আমল এমন হওয়া ভালো যা নিয়মিত করা যায়। তবে নবীজির সামর্থ্য ও সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের পার্থক্যও মনে রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আমলে ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
- নিজের সামর্থ্য বুঝে নফল আমল করা উচিত।
- নবীজির আমল ছিল স্থায়ী, হঠাৎ-হঠাৎ নয়।
