৩০/৬৩. অধ্যায়ঃ
জুমার দিনে সওম করা। যদি জুমার দিনে সওম পালনরত অবস্থায় ভোর হয় তবে তার উচিত সওম ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ যদি এর আগের দিনে সওম পালন না করে থাকে এবং পরের দিনে সওম পালনের ইচ্ছা না থাকে।
জুমু’আর দিনে একক সাওম রাখার নিষেধ
সহীহ বুখারী : ১৯৮৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৮৪
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادٍ قَالَ سَأَلْتُ جَابِرًا نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَالَ نَعَمْ زَادَ غَيْرُ أَبِي عَاصِمٍ يَعْنِي أَنْ يَنْفَرِدَ بِصَوْمٍ
মুহাম্মাদ ইব্নু ‘আব্বাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী (ﷺ) কি জুমু’আর দিনে (নফল) সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবু আসিম (রহঃ) ব্যতীত অন্যেরা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, পৃথকভাবে জুমু’আর দিনে সাওম পালন (-কে নিষেধ করেছেন)।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়—নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কি জুমু’আর দিনে নফল সাওম রাখতে নিষেধ করেছেন? তিনি উত্তর দেন, হ্যাঁ। অতিরিক্ত বর্ণনায় এসেছে, নিষেধটি হলো শুধু জুমু’আর দিনকে আলাদা করে সাওম রাখার বিষয়ে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো জুমার সাওমকে একা আলাদা করে রাখা থেকে বিরত থাকা। এখানে জুমু’আর দিনের মর্যাদা নিয়ে আলাদা আলোচনা করা হয়নি; বরং শুধু সাওমের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বলা হয়েছে। তাই ‘জুমার দিনে রোজা রাখা যাবে কি’—এই প্রশ্নে হাদিসটি সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শুধু জুমু’আর দিন আলাদা করে নফল সাওম রাখা নিষেধ এসেছে।
- হাদিস বুঝতে অতিরিক্ত বর্ণনার সীমা মেনে চলা দরকার।
- সাওমের ক্ষেত্রে দিন নির্ধারণেও নবীজির নির্দেশ মানা জরুরি।
