৩০/৫৩. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর সওম পালন করা ও না করার বিবরণ।
নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নফল সাওম: কখনো বেশি, কখনো বিরতি
সহীহ বুখারী : ১৯৭১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৭১
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَا صَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم شَهْرًا كَامِلاً قَطُّ غَيْرَ رَمَضَانَ وَيَصُومُ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ لاَ وَاللهِ لاَ يُفْطِرُ وَيُفْطِرُ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ لاَ وَاللهِ لاَ يَصُومُ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রমজান ব্যতীত কোন মাসে পুরো মাসের সাওম পালন করেননি। তিনি এমনভাবে নফল সাওম পালন করতেন যে, কেউ বলতে চাইলে বলতে পারত, আল্লাহর কসম! তিনি আর সাওম পালন পরিত্যাগ করবেন না। আবার এমনভাবে নফল সাওম ছেড়ে দিতেন যে, কেউ বলতে চাইলে বলতে পারত, আল্লাহর কসম! তিনি আর সাওম পালন করবেন না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) রমজান ছাড়া কোনো মাসে পুরো মাসের সাওম পালন করেননি। তিনি কখনো এমনভাবে নফল সাওম রাখতেন যে কেউ মনে করতে পারত, তিনি আর সাওম ছাড়বেন না। আবার কখনো এমনভাবে নফল সাওম ছেড়ে দিতেন যে কেউ মনে করতে পারত, তিনি আর সাওম রাখবেন না। এই বর্ণনায় নফল সাওমের বিষয়ে ভারসাম্য দেখা যায়। রমজানের সাওম আলাদা, আর নফল সাওমে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কখনো বেশি করেছেন, কখনো বিরতি দিয়েছেন। তাই নফল রোজা নিয়ে নিজের ওপর এমন চাপ দেওয়া ঠিক নয়, যা নিয়মিত চলতে পারে না বা শরীরকে দুর্বল করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজান ছাড়া নবীজি (صلى الله عليه وسلم) পুরো মাস সাওম রাখেননি।
- নফল সাওমে কখনো বেশি করা এবং কখনো বিরতি দেওয়া দেখা যায়।
- নফল ইবাদতে ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
