৩০/৩৪. অধ্যায়ঃ
রমজানের কয়েক দিন সওম করে যদি কেউ সফর শুরু করে।
রমজানে সফর: নবীজির صلى الله عليه وسلم সাওম ভঙ্গ ও সাহাবীদের অনুসরণ
সহিহ বুখারী : ১৯৪৪
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৪৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى مَكَّةَ فِي رَمَضَانَ فَصَامَ حَتَّى بَلَغَ الْكَدِيدَ أَفْطَرَ فَأَفْطَرَ النَّاسُ قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ وَالْكَدِيدُ مَاءٌ بَيْنَ عُسْفَانَ وَقُدَيْدٍ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) সাওমের অবস্থায় কোন এক রমজানে মক্কার পথে যাত্রা করলেন। 'কাদীদ' নামক স্থানে পৌঁছার পর তিনি সাওম ভঙ্গ করে ফেললে লোকেরা সকলেই সাওম ভঙ্গ করলেন। আবু আব্দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, 'উসফান' ও 'কুদাইদ' নামক দুই স্থানের মধ্যে 'কাদীদ' একটি ঝর্ণা।
সহিহ বুখারী হাদিস ১৯৪৪-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সফরে সাওম। এই হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم রমজান মাসে মক্কার পথে যাত্রা করেন। তিনি সাওম অবস্থায় ছিলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছার পর তিনি সাওম ভঙ্গ করেন, আর লোকেরাও সাওম ভঙ্গ করেন। বর্ণনায় কাদীদকে উসফান ও কুদাইদের মাঝের একটি ঝর্ণা বলা হয়েছে। এই হাদিসে সফরে রোজার ক্ষেত্রে নবীজির صلى الله عليه وسلم আমলকে অনুসরণ করার শিক্ষা দেখা যায়। শুরুতে তিনি সাওম রেখেছেন, পরে সফরের পথে সাওম ভঙ্গ করেছেন। তাই সফরে সাওম নিয়ে একরকম কঠোরতা নয়, বরং নবীজির صلى الله عليه وسلم কাজের আলোকে সহজতা বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم সফরে কখনও সাওম রেখেছেন, আবার প্রয়োজনে ভঙ্গও করেছেন।
- সাহাবীরা নবীজির صلى الله عليه وسلم আমল দেখে অনুসরণ করতেন।
- রমজানের সফরে ছাড়ের বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে।
- ইবাদতে নবীজির صلى الله عليه وسلم পথই অনুসরণের মূল দিশা।
