৩০/২৪. অধ্যায়ঃ
সায়িমের চুম্বন দেয়া।
وَقَالَ جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ إِنْ نَظَرَ فَأَمْنَى يُتِمُّ صَوْمَهُজাবির ইবন যায়দ (রহ.) বলেন, (নারীদের দিকে) তাকালে যদি বীর্যপাত ঘটে, তাহলেও সওম পূর্ণ করবে।"
সায়েম অবস্থায় চুমু: আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনা
সহিহ বুখারী : ১৯২৮
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯২৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وحَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ عَنْ مَالِكٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَيُقَبِّلُ بَعْضَ أَزْوَاجِهِ وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ ضَحِكَتْ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সায়েম অবস্থায় নবী (ﷺ) তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু খেতেন। (এ কথা বলে) আয়েশা (রাঃ) হেসে দিলেন।
সহিহ বুখারী হাদিস ১৯২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) খুব সংক্ষিপ্তভাবে জানান, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) সায়েম অবস্থায় তাঁর কোনো কোনো স্ত্রীকে চুমু দিতেন। এরপর তিনি হাসলেন। হাদিসটি ছোট হলেও সাওমের সময় দাম্পত্য আচরণের একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা দেয়। তবে একই বিষয়ে অন্য বর্ণনায় প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের কথাও এসেছে, তাই এই হাদিসকে সাবধানে বোঝা দরকার। এখানে নতুন কোনো বড় বিধান বানিয়ে ফেলা ঠিক নয়। মূল পাঠ্য আমাদের জানায়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘরোয়া জীবনের কিছু বিষয় সাহাবিয়ারা বর্ণনা করেছেন, যাতে উম্মত বাস্তব জীবনেও দ্বীনের পথ বুঝতে পারে। রোজা মানে সংযম, আর সংযমের মধ্যে নিজের সীমা বোঝাও রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমের সময় দাম্পত্য জীবনের কিছু বিষয় হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
- আয়েশা (রাঃ) নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘরোয়া আমল বর্ণনা করেছেন।
- রোজায় সংযম ও নিজের নিয়ন্ত্রণ বোঝা জরুরি।
- ছোট হাদিস থেকেও বাস্তব জীবনের শিক্ষা পাওয়া যায়।
