৩০/২০. অধ্যায়ঃ

সাহরীতে বারকাত রয়েছে তবে তা ফরজ নয়।

لِأَنَّ النَّبِيَّ ﷺ وَأَصْحَابَهُ وَاصَلُوا وَلَمْ يَذْكُرُ السَّحُورَকেননা নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ ক্রমাগতভাবে সওম পালন করেছেন কিন্তু সেখানে সাহরীর কোনো উল্লেখ নেই।"

সাহরীতে বরকত: রোজার আগে নবীজির সহজ নির্দেশনা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯২৩

حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সাহরী খাও। কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে।

সহীহ বুখারী হাদিস ১৯২৩-এর সারসংক্ষেপ

এই ছোট হাদিসটি খুব গভীর একটি শিক্ষা দেয়। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে। এখানে সাহরীর বরকতকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই রমজানের সাওম শুরু করার আগে সাহরী করা শুধু শরীরের শক্তির জন্য নয়, বরং নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানার একটি সুন্দর আমল। এই হাদিসে খাবারের পরিমাণ, বিশেষ কোনো মেনু বা দীর্ঘ আয়োজনের কথা নেই। মূল কথা হলো, সাহরী করা। কেউ কম খেলে বা সামান্য কিছু খেলেও সাহরীর আমলের দিকে মন দিতে পারে। এই শিক্ষা রোজাদারকে মনে করিয়ে দেয়, ইসলামে ইবাদতের সঙ্গে সহজতা ও কল্যাণের দিকও আছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সাহরী খাওয়া নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত আমল।
  • সাহরীতে বরকত আছে বলে হাদিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে।
  • সাহরীকে অবহেলা না করে রোজার প্রস্তুতি নেওয়া ভালো।
  • ইবাদতে ছোট আমলেও বরকতের দিক থাকতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন