৩০/১৯. অধ্যায়ঃ
সাহরী ও ফজরের সালাতের মধ্যে সময়ের পরিমাণ কত?
সাহরীর সময়: ফজরের আগে সুন্দর প্রস্তুতির হাদিস
সহীহ বুখারী : ১৯২১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯২১
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ تَسَحَّرْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ قُلْتُ كَمْ كَانَ بَيْنَ الأَذَانِ وَالسَّحُورِ قَالَ قَدْرُ خَمْسِينَ آيَةً
যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে সাহরী খাই। এরপর তিনি সালাতের জন্য দাঁড়ান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আজান ও সাহরীর মাঝে কতটুকু ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত (পাঠ করা) পরিমাণ।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) জানান, তাঁরা আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সাহরী খেয়েছিলেন। এরপর নবীজি সালাতের জন্য দাঁড়ান। বর্ণনাকারী জানতে চান, আজান ও সাহরীর মাঝে কত সময় ছিল। উত্তরে বলা হয়, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়। এই বর্ণনা সাহরীর সময় নিয়ে খুব সহজ একটি দিক দেখায়। সাহরী শেষ করে ফজরের সালাতের জন্য প্রস্তুত হওয়া ছিল নিয়মতান্ত্রিক ও শান্ত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, রমজানের সাহরী শুধু খাবারের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সালাত, সময়জ্ঞান ও ইবাদতের প্রস্তুতি জড়িত। তাই সাহরী করার সময় এমনভাবে গুছিয়ে নেওয়া ভালো, যাতে ফজরের আজান ও সালাতের জন্য মন প্রস্তুত থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরী করার পর ফজরের সালাতের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।
- ইবাদতের সময় ঠিক রাখার জন্য সময়জ্ঞান জরুরি।
- সাহরী ও সালাতের মাঝে অল্প সময়ও কুরআন তিলাওয়াতে কাজে লাগানো যায়।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল থেকে সাহরীর আদব শেখা যায়।
