৩০/১১. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর উক্তি: যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার কর।
وَقَالَ صِلَةُ عَنْ عَمَّارٍ مَنْ صَامَ يَوْمَ الشَّكِّ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ ﷺসিলাহ (রহ.) ‘আম্মার (রা.) হতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে সওম পালন করল সে আবুল কাসিম (ﷺ)-এর নাফরমানী করল।"
রমজানের চাঁদ দেখা: সাওম শুরু ও শেষের নিয়ম
সহীহ বুখারী : ১৯০৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯০৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلاَلَ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) রমজানের কথা আলোচনা করে বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সাওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফতার করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯০৬-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: চাঁদ দেখা। এই হাদিসে রমজানের সাওম শুরু ও শেষ করার সহজ নিয়ম বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, চাঁদ না দেখে সাওম পালন শুরু করা যাবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফতার বা রমজান শেষ করা যাবে না। যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে, তাহলে সময় পূর্ণ করতে হবে, অর্থাৎ মাসের গণনা ত্রিশ দিন করা হবে। এই নির্দেশনা মানুষকে অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত থেকে বাঁচায়। রমজানের রোজা একটি বড় ইবাদত, তাই তার শুরু ও শেষও স্পষ্ট লক্ষণের ওপর হওয়া দরকার। হাদিসটি চাঁদ দেখা, মাস গণনা এবং রমজানের সময় নির্ধারণের বিষয়ে সরল দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের সাওম শুরুতে চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
- ঈদ বা রমজান শেষও চাঁদ দেখার সঙ্গে যুক্ত।
- মেঘ থাকলে মাসের গণনা ত্রিশ দিন পূর্ণ করতে বলা হয়েছে।
- ইবাদতের সময় নির্ধারণে স্পষ্ট নিয়ম মানা দরকার।
