২৯/১০. অধ্যায়ঃ
মদীনা অপবিত্র লোকদেরকে বের করে দেয়।
মদীনা কামারের হাঁপরের মতো: খাঁটি ঈমানের পরিচয়
সহীহ বুখারী : ১৮৮৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৮৮৩
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَبَّاسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَبَايَعَهُ عَلَى الإِسْلاَمِ، فَجَاءَ مِنَ الْغَدِ مَحْمُومًا، فَقَالَ أَقِلْنِي، فَأَبَى ثَلاَثَ مِرَارٍ، فَقَالَ " الْمَدِينَةُ كَالْكِيرِ، تَنْفِي خَبَثَهَا، وَيَنْصَعُ طَيِّبُهَا ".
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একজন বেদুঈন নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে ইসলামের উপর তাঁর কাছে বায়আত গ্রহণ করলো। পরদিন সে জ্বরাক্রান্ত অবস্থায় নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বললো, আমার (বায়আত) ফিরিয়ে নিন। নবী (ﷺ) তা প্রত্যাখ্যান করলেন। এভাবে তিনবার হল। অতঃপর বললেন: মদীনা কামারের হাঁপরের মত, যা তার আবর্জনা ও মরিচাকে দূরীভূত করে এবং খাঁটি ও নির্ভেজালকে পরিচ্ছন্ন করে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক বেদুঈনের ঘটনা এসেছে। তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে ইসলামের উপর বায়আত নেন। পরদিন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এসে বলেন, আমার বায়আত ফিরিয়ে নিন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তা গ্রহণ করেননি। তিনি তিনবার এ কথা বলেন, আর নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, মদীনা কামারের হাঁপরের মতো; এটি আবর্জনা ও মরিচা দূর করে এবং খাঁটি জিনিসকে পরিষ্কার করে। এখানে মদীনার ফজিলত, বায়আতের গুরুত্ব এবং ঈমানের খাঁটি পরীক্ষা—এই বিষয়গুলো আছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সাময়িক কষ্ট দেখে দ্বীনের পথ থেকে ফিরে যাওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামের বায়আত কোনো হালকা বিষয় নয়।
- কষ্ট এলেই দ্বীনের পথ ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়।
- মদীনা খারাপকে আলাদা করে খাঁটিকে প্রকাশ করে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) বায়আত ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ গ্রহণ করেননি।
