২৫/১২৪. অধ্যায়ঃ
কী পরিমাণ কুরবানির গোশত ভক্ষণ করবে এবং কী পরিমাণ সদকা করবে?
وَقَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا لَا يُؤْكَلُ مِنْ جَزَاءِ الصَّيْدِ وَالنَّذْرِ وَيُؤْكَلُ مِمَّا سِوَى ذَلِكَ وَقَالَ عَطَاءٌ يَأْكُلُ وَيُطْعِمُ مِنَ الْمُتْعَةِ‘উবায়দুল্লাহ (রহ.) নাফি (রহ.) সূত্রে ইবন ‘উমার (রা.) হতে বর্ণিত। শিকারের ক্ষতিপূরণ স্বরূপ এবং মানতের জন্য যে জানোয়ার যবহ করা হয়, তা খাওয়া যাবে না। এছাড়া অন্যান্য সব কুরবানীর গোশত খাওয়া যাবে। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, তামাত্তুর কুরবানীর গোশত খেতে পারবে এবং (অন্যকেও) খাওয়াতে পারবে।"
কুরবানির গোশত সঞ্চয়: খাওয়া ও জমিয়ে রাখার অনুমতির শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৭১৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭১৯
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ حَدَّثَنَا عَطَاءٌ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُولُ كُنَّا لاَ نَأْكُلُ مِنْ لُحُومِ بُدْنِنَا فَوْقَ ثَلاَثِ مِنًى فَرَخَّصَ لَنَا النَّبِيُّ فَقَالَ كُلُوا وَتَزَوَّدُوا فَأَكَلْنَا وَتَزَوَّدْنَا قُلْتُ لِعَطَاءٍ أَقَالَ حَتَّى جِئْنَا الْمَدِينَةَ قَالَ لاَ
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা আমাদের কুরবানির গোশত মিনার তিন দিনের বেশি খেতাম না। এরপর নবী (ﷺ) আমাদের অনুমতি দিলেন এবং বললেন: খাও এবং সঞ্চয় করে রাখ। তাই আমরা খেলাম এবং সঞ্চয়ও করলাম। রাবী বলেন, আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে বললাম, জাবির (রাঃ) কি বলেছেন আমরা মদিনায় আসা পর্যন্ত? তিনি বললেন, না।
(২৯৮০,৫৪২৪,৫৫৬৭, মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ১৯৭২, আহমাদ ১৪৪১৯) (আঃপ্রঃ ১৬০১, ইঃফাঃ ১৬০৮)
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তাঁরা নিজেদের কুরবানির গোশত মিনার তিন দিনের বেশি খেতেন না। পরে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁদের অনুমতি দিলেন এবং বললেন, খাও এবং সঞ্চয় করে রাখ। এরপর তাঁরা খেলেন এবং সঞ্চয়ও করলেন। রাবী আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়, জাবির (রাঃ) কি বলেছেন যে, মদিনায় আসা পর্যন্ত? তিনি বলেন, না। এখানে মূল বিষয় কুরবানির গোশত খাওয়া ও সঞ্চয়। বর্ণনাটিতে তিন দিনের সীমার পরে অনুমতির কথা এসেছে, কিন্তু মদিনায় আসা পর্যন্ত সঞ্চয়ের কথা রাবী অস্বীকার করেছেন। তাই ব্যাখ্যায় এই সূক্ষ্ম অংশটি ঠিক রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) কুরবানির গোশত খাওয়া ও সঞ্চয়ের অনুমতি দিয়েছেন।
- আগে তারা মিনার তিন দিনের বেশি খেতেন না—এ তথ্য বর্ণনায় আছে।
- মদিনা পর্যন্ত সঞ্চয়ের কথা জাবির (রাঃ) বলেছেন কি না—রাবী তা অস্বীকার করেছেন।
