২৫/৮০. অধ্যায়ঃ
সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ করা প্রসঙ্গে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا السَّعْيُ مِنْ دَارِ بَنِي عَبَّادٍ إِلَى زُقَاقِ بَنِي أَبِي حُسَيْنٍইবন ‘উমার (রা.) বলেন, বনূ ‘আব্বাদ-এর বসতি হতে বনূ আবূ হুসাইন-এর গলি পর্যন্ত সা‘য়ী করবে।"
সাফা-মারওয়া সাঈর আগে হালাল হওয়া যাবে কি?
সহিহ বুখারী : ১৬৪৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৪৬
وَسَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ فَقَالَ لاَ يَقْرَبَنَّهَا حَتَّى يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, সাফা ও মারওয়া সাঈ করার পূর্বে কারো পক্ষে স্ত্রী সহবাস মোটেই বৈধ হবে না।
(৩৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫৩৪ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৫৪০ শেষাংশ)
সহিহ বুখারী হাদিস ১৬৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি খুব ছোট, কিন্তু এর বক্তব্য স্পষ্ট। আগের প্রশ্নের ধারাবাহিকতায় জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়া সাঈ করার আগে কারো পক্ষে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে না। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু উমরার কাজের ক্রম বোঝা যায়। শুধু বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলেই সব নিষেধ শেষ হয়ে যায়—এমন ধারণা এই বর্ণনার সঙ্গে মেলে না। সাঈকে উমরার অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই উমরাকারীর জন্য তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়া সাঈ সম্পন্ন করা জরুরি বিষয় হিসেবে বোঝা যায়, এরপরই হালাল হওয়ার প্রশ্ন আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়া সাঈর আগে ইহরামের নিষেধকে শেষ মনে করা ঠিক নয়।
- উমরার কাজের ক্রম মানা দরকার।
- শরীয়তের প্রশ্নে সাহাবীদের কাছে জিজ্ঞেস করার দৃষ্টান্ত আছে।
- সংক্ষিপ্ত উত্তরের মধ্যেও পরিষ্কার বিধান থাকতে পারে।
