৪/১১. অধ্যায়ঃ
পেশাব-পায়খানা করার সময় কিবলামুখী হবে না, তবে দেয়াল অথবা কোন আড় থাকলে ভিন্ন কথা।
শৌচাগারে কিবলার আদব: মুখ ও পিঠ ফিরিয়ে বসার শিক্ষা
সহিহ বুখারী : ১৪৪
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৪৪
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَتَى أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ فَلاَ يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلاَ يُوَلِّهَا ظَهْرَهُ، شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا
আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না করে, বরং তোমরা পূর্ব দিক এবং পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে [১] (এই নির্দেশ মদীনার বাসিন্দাদের জন্য)।
(৩৯৪; মুসলিম ২/১৭, হাঃ ২৬৪, আহমাদ ২৩৫৮৩, ২৩৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৬)[১] যাদের ক্বিবলা উত্তর বা দক্ষিণে হবে তাদের জন্য এই হুকুম। আর যাদের ক্বিবলা পূর্ব বা পশ্চিমে তারা উত্তর বা দক্ষিণ দিকে মুখ করে বসবে।
সহিহ বুখারী হাদিস ১৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আল্লাহর রসূল صلى الله عليه وسلم শৌচাগারের আদব সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ যখন পেশাব-পায়খানার জন্য যায়, সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং কিবলার দিকে পিঠও না করে। বরং পূর্ব বা পশ্চিম দিকে ফিরে বসতে বলা হয়েছে। হাদিসের অনুবাদে উল্লেখ আছে, এই নির্দেশ মদীনার বাসিন্দাদের জন্য ছিল। কারণ তাদের কিবলার অবস্থান অনুযায়ী পূর্ব-পশ্চিম দিকে বসলে কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ হয় না। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কিবলা মুসলিমের কাছে সম্মানের বিষয়। এমনকি প্রাকৃতিক প্রয়োজনের সময়ও সেই সম্মানের দিকে খেয়াল রাখা শেখানো হয়েছে। তবে হাদিসের ভাষা যেভাবে এসেছে, সেটুকুই এখানে মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাকৃতিক প্রয়োজনের সময় কিবলার সম্মান রাখা উচিত।
- শৌচাগারের আদবও ইসলামের শিক্ষার অংশ।
- কাজটি সাধারণ হলেও দিক ও ভদ্রতার দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
