২৪/২. অধ্যায়ঃ

যাকাত দেয়ার উপর বাইআত

فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوْا الزَّكَاةَ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ(মহান আল্লাহর বাণী): “যদি তারা তাওবা করে এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত প্রদান করে তবে তারা তোমাদের দীনী ভাই।” (আত-তাওবা: ১১)"

সালাত, যাকাত ও মুসলিমের কল্যাণ কামনার হাদিস

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৪০১

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ قَالَ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بَايَعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ‏.‏

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট সালাত কায়েম করা, যাকাত দেওয়া ও সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করার উপর বায়আত করি।

সহিহ বুখারী হাদিস ১৪০১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে যে বায়আত করেছিলেন, তা তিনটি বড় বিষয়ের উপর ছিল। প্রথমটি হলো সালাত কায়েম করা। অর্থাৎ নামাজকে জীবনের স্থায়ী আমল হিসেবে ধরে রাখা। দ্বিতীয়টি হলো যাকাত দেওয়া। সম্পদ থাকলে তার নির্ধারিত হক আদায় করা মুসলিমের দায়িত্ব। তৃতীয়টি হলো সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করা। এর মধ্যে শুধু নিজের ইবাদত নয়, অন্য মুসলিমের ভালো চাওয়ার শিক্ষাও আছে। হাদিসটি দেখায়, ইসলাম ব্যক্তিগত আমল ও সামাজিক দায়িত্ব—দুটিকেই গুরুত্ব দেয়। সালাত, যাকাত ও মুসলিমের কল্যাণ—এই তিনটি বিষয় একজন মুমিনের চরিত্র গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাত কায়েম করা মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
  • সম্পদের হক হিসেবে যাকাত আদায় করা জরুরি দায়িত্ব।
  • সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করা ঈমানি আচরণের অংশ।
  • ইবাদত ও মানুষের মঙ্গলচিন্তা একসাথে পালন করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন