২৩/৭৭. অধ্যায়ঃ
কোন কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবর বা লাহদ হতে বের করা যাবে কি?
পৃথক কবরে দাফন: জাবির (রাঃ)-এর পিতার ঘটনা
সহীহ বুখারী : ১৩৫২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৩৫২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ دُفِنَ مَعَ أَبِي رَجُلٌ فَلَمْ تَطِبْ نَفْسِي حَتَّى أَخْرَجْتُهُ فَجَعَلْتُهُ فِي قَبْرٍ عَلَى حِدَةٍ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার পিতার সাথে আরেকজন শহীদকে দাফন করা হলে আমার মন তাতে তুষ্ট হতে পারল না। অবশেষে আমি তাকে (কবর হতে) বের করলাম এবং একটি পৃথক কবরে তাকে দাফন করলাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৩৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) তাঁর পিতার দাফন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি ঘটনা বলেছেন। তাঁর পিতার সঙ্গে আরেকজন শহীদকে দাফন করা হয়েছিল। কিন্তু জাবির (রাঃ)-এর মন এতে তুষ্ট হয়নি। তাই তিনি পরে তাঁর পিতাকে কবর থেকে বের করে পৃথক কবরে দাফন করেন। এই বর্ণনায় দাফনের প্রতি সন্তানের আবেগ, পিতার প্রতি ভালোবাসা এবং কবর সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিস্থিতি দেখা যায়। তবে হাদিসে সাধারণভাবে সব ক্ষেত্রে কবর খোলার নির্দেশ নেই; এখানে শুধু জাবির (রাঃ)-এর ঘটনার খবর এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় বাড়াবাড়ি না করে বলা যায়, উহুদের শহীদদের দাফনের বাস্তব পরিস্থিতিতে একাধিক জনকে এক কবরেও রাখা হয়েছিল, আবার পরে পৃথক দাফনের ঘটনাও ঘটেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাবির (রাঃ) পিতার দাফন নিয়ে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
- এক কবরে দুইজন দাফনের পর পৃথক কবরে স্থানান্তরের ঘটনা এসেছে।
- এটি নির্দিষ্ট ঘটনা; সাধারণ নিয়ম বানিয়ে বলা ঠিক নয়।
- পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা এই বর্ণনায় ফুটে ওঠে।
