১৫/২৬. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর উক্তি, “আমাকে পূর্ব দিক হতে আগত হাওয়ার মাধ্যমে সাহায্য করা হয়েছে”।
বাতাস আল্লাহর আদেশে সাহায্য ও শাস্তির কারণ হতে পারে
সহীহ বুখারী : ১০৩৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৩৫
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " نُصِرْتُ بِالصَّبَا، وَأُهْلِكَتْ عَادٌ بِالدَّبُورِ ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, আমাকে পূর্বের হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। আর আদ জাতিকে পশ্চিমা হাওয়া দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বাতাসের ভূমিকা। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁকে পূর্বের হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে, আর আদ জাতিকে পশ্চিমা হাওয়া দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। হাদিসটি আমাদের সামনে বাতাসকে শুধু আবহাওয়ার ঘটনা হিসেবে নয়, আল্লাহর আদেশে চলা এক নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরে। একই বাতাস কারও জন্য সাহায্যের কারণ হতে পারে, আবার কারও জন্য শাস্তির কারণ হতে পারে—এ কথা এই বর্ণনায় এসেছে। তবে এখানে ঘটনাগুলোর বিস্তারিত আলোচনা নেই; তাই ব্যাখ্যাও সংক্ষিপ্ত রাখা উচিত। এই হাদিস থেকে মূল শিক্ষা হলো, প্রকৃতির শক্তি আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। মানুষ দুর্বল, আর আল্লাহ যেভাবে চান, সেভাবেই তাঁর সৃষ্টি কাজ করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পূর্বের হাওয়া দিয়ে নবীজিকে সাহায্য করার কথা এসেছে।
- পশ্চিমা হাওয়া দিয়ে আদ জাতি ধ্বংস হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- বাতাস আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন একটি নিদর্শন।
- প্রকৃতির শক্তি মানুষকে আল্লাহর ক্ষমতার কথা মনে করায়।
