১৫/১৭. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ) কিভাবে মানুষের দিকে তাঁর পিঠ ফিরিয়েছেন।
ইসতিসকা সালাতে কেবলামুখী দোয়া ও চাদর উল্টানো
সহিহ বুখারী : ১০২৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০২৫
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ خَرَجَ يَسْتَسْقِي قَالَ فَحَوَّلَ إِلَى النَّاسِ ظَهْرَهُ، وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ يَدْعُو، ثُمَّ حَوَّلَ رِدَاءَهُ، ثُمَّ صَلَّى لَنَا رَكْعَتَيْنِ جَهَرَ فِيهِمَا بِالْقِرَاءَةِ.
‘আব্বাদ ইব্নু তামীম (রহঃ) তাঁর চাচা হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যেদিন বৃষ্টির দোয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন, আমি তা দেখেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি লোকদের দিকে তাঁর পিঠ ফিরালেন এবং কেবলামুখী হয়ে দোয়া করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর চাদর উল্টে দিলেন। আমাদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তিনি উভয় রাকাতে সশব্দে কিরাত পাঠ করেন।
সহিহ বুখারী হাদিস ১০২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ইসতিসকার দোয়ার ধরন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে সেই দিন দেখেছেন, যেদিন তিনি বৃষ্টির দোয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। নবীজি লোকদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে কেবলামুখী হয়ে দোয়া করেন। এরপর তিনি নিজের চাদর উল্টে দেন। তারপর তিনি লোকদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করেন এবং উভয় রাকাতে সশব্দে কিরাআত পড়েন। এই বর্ণনা ইসতিসকা সালাতের কয়েকটি কাজ স্পষ্ট করে: কেবলামুখী দোয়া, চাদর উল্টানো, দুই রাকাত সালাত এবং সশব্দ কিরাআত। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কষ্টের সময় আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া এবং দোয়ায় বিনয় প্রকাশ করা নবীজির আমলের একটি পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিসকার দোয়ার সময় কেবলামুখী হওয়ার কথা এসেছে।
- চাদর উল্টানোর কাজটি এই বর্ণনায় স্পষ্ট।
- নবীজি দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।
- সালাতে সশব্দে কিরাআত পড়ার কথা বলা হয়েছে।
