১৫/১৫. অধ্যায়ঃ
দাঁড়িয়ে ইস্তিসকার দোয়া করা।
কেবলামুখী বৃষ্টির দোয়া ও চাদর উল্টানোর শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১০২৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০২৩
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ، أَنَّ عَمَّهُ ـ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ بِالنَّاسِ يَسْتَسْقِي لَهُمْ، فَقَامَ فَدَعَا اللَّهَ قَائِمًا، ثُمَّ تَوَجَّهَ قِبَلَ الْقِبْلَةِ، وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ فَأُسْقُوا.
‘আব্বাদ ইব্নু তামীম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর চাচা নবী (ﷺ)-এর একজন সাহাবী ছিলেন। তিনি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (ﷺ) সাহাবীদের নিয়ে তাঁদের জন্য বৃষ্টির দোয়ার উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি দাঁড়ালেন এবং দাঁড়িয়েই আল্লাহর নিকট দোয়া করলেন। অতঃপর কেবলামুখী হয়ে নিজ চাদর উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর তাঁদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হল।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বৃষ্টির দোয়ার সময় কেবলামুখী হওয়া। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের নিয়ে বৃষ্টির দোয়ার উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন। এরপর কেবলামুখী হলেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দিলেন। বর্ণনায় শেষে এসেছে, তাঁদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো। হাদিসটি ইসতিসকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সহজভাবে তুলে ধরে। এখানে দোয়া, দাঁড়ানো, কেবলামুখী হওয়া এবং চাদর উল্টানোর কথা সরাসরি বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে আমরা বুঝি, বৃষ্টির প্রয়োজন হলে আল্লাহর কাছে বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করতে হয়। নবীজির আমলে সাহাবীরা এভাবে আল্লাহর রহমতের আশা করতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বৃষ্টির দোয়ার জন্য আল্লাহর দিকে মন ফেরানো জরুরি।
- নবীজি দাঁড়িয়ে দোয়া করেছেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
- দোয়ার সময় কেবলামুখী হওয়ার কথা এই হাদিসে আছে।
- চাদর উল্টানোর বিষয়টি ইসতিসকার বর্ণনায় এসেছে।
