৪/১২. অধ্যায়ঃ
সালাতে কিরাআতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
ফজরের সালাতে সূরা ক্বাফ তিলাওয়াত
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৮৩৫-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৮৩৫-[১৪]
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ بِق وَالْقُرْانِ الْمَجِيْدِ وَنَحْوِهَا وَكَانَ صَلَاتُه بَعْدُ تَخْفِيفًا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ফাজ্রের সালাতে সূরাহ্ ‘কাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ’ ও এরূপ সূরাগুলো তিলাওয়াত করতেন। অন্যান্য সালাত ফাজ্রের চেয়ে কম দীর্ঘ হত। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৪৫৮, আহমাদ ২০৯৭১। ফাজর (ফজর) সালাতের পরবর্তী সালাতগুলো হালকা হত। অর্থাৎ- রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ক্বিরাআত (কিরআত) ফজরের তুলনায় অন্যান্য সালাতে অধিক হালকা ছিল।
মিশকাতুল মাসাবিহ হাদিস ৮৩৫-[১৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم ফজরের সালাতে “ক্বাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ” এবং এ ধরনের সূরা তিলাওয়াত করতেন। এরপর বলা হয়েছে, অন্যান্য সালাত ফজরের তুলনায় হালকা হত। এখানে ফজরের কিরাআতের দীর্ঘতার একটি ছবি পাওয়া যায়। ফজর দিনের শুরু; এ সময়ে নবী صلى الله عليه وسلم দীর্ঘতর কিরাআত করেছেন বলে বর্ণনা এসেছে। তবে হাদিসে সব দিন একই সূরা পড়ার কথা নেই। তাই মূল শিক্ষা হলো, ফজরের সালাতে কুরআন তিলাওয়াতের বিশেষ গুরুত্ব এবং অন্যান্য সালাতে কিরাআতের ভারসাম্য। মুসল্লির জন্য এটি কুরআন শুনে দিন শুরু করার গভীর শিক্ষা বহন করে। সাহাবিরা এই কিরাআত শুনে সংরক্ষণ করেছেন, তাই আমরা আজ নবী صلى الله عليه وسلم-এর ফজরের সালাতের ধরন সম্পর্কে ধারণা পাই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের সালাতে সূরা ক্বাফ পড়ার বর্ণনা আছে।
- ফজরের কিরাআত তুলনামূলক দীর্ঘ ছিল।
- অন্যান্য সালাত ফজরের চেয়ে হালকা হওয়ার কথা এসেছে।
- একটি বর্ণিত আমলকে প্রতিদিনের একমাত্র নিয়ম বলা হয়নি।
