১০/২. অধ্যায়ঃ
ক্ষমা ও তাওবা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
হাসান গরীব: হাদিসের মান নিয়ে সংক্ষিপ্ত নোট
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৩৩৭-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৩৩৭-[১৫]
وَرَوَاهُ أَحْمَدُ وَالدَّارِمِىُّ عَنْ أَبِىْ ذَرٍّ، وَقَالَ التِّرْمِذِىُّ: هٰذَا حَدِيْثٌ حَسَنٌ غَرِيْبٌ
আহমাদ ও দারিমী আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব।[১]
[১] হাসান : আহমাদ ২১৪৭২, দারিমী ২৮৩০, শারহুস্ সুন্নাহ ১২৯২। তবে আহমাদ-এর সানাদটি দুর্বল। কারণ এর সানাদে শাহর ইবনু হাওসাব একজন দুর্বল।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৩৩৭-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা বা দোয়া বর্ণনা করা হয়নি। এখানে ইমাম তিরমিযী রহিমাহুল্লাহর একটি মন্তব্য এসেছে—তিনি বলেছেন, হাদিসটি ‘হাসান গরীব’। তাই এই নম্বরটি মূলত হাদিসের মান বা বর্ণনার অবস্থা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাঠক যখন আগের বর্ণনাটি পড়বেন, তখন এই মন্তব্য তাকে জানায় যে ইমাম তিরমিযী সেই বর্ণনা সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট মূল্যায়ন দিয়েছেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হাদিস পড়ার সময় শুধু অনুবাদ নয়, বর্ণনার মান সম্পর্কেও সতর্ক থাকা দরকার। তবে এই নোট থেকে আলাদা কোনো আমল বা নতুন বিধান তৈরি করা উচিত নয়; বরং এটি আগের হাদিসের মান বুঝতে সহায়ক মন্তব্য হিসেবে পড়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই অংশটি মূলত হাদিসের মান সম্পর্কে একটি মন্তব্য।
- ইমাম তিরমিযী হাদিসটিকে ‘হাসান গরীব’ বলেছেন।
- হাদিস পড়ার সময় বর্ণনার মান জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- এই নোট থেকে আলাদা নতুন আমল বানানো উচিত নয়।
