৪/২৪. অধ্যায়ঃ
সালাতের কাতার সোজা করা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
সালাতে বারবার সোজা হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১০০-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১০০-[১৬]
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُوْلُ: اسْتَوُوا اسْتَوُوا اسْتَوُوا فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِه إِنِّي لَأَرَاكُمْ من خَلْفي كَمَا أَرَاكُم مِنْ بَين يَدَيَّ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলূল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করতেন : তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। আমার জীবন যার হাতে নিহিত তাঁর কসম করে বলছি, আমি তোমাদেরকে সামনে যেমন দেখতে পাই পেছনেও তদ্রূপ দেখতে পাই। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] সহীহ : নাসায়ী ৮১৩, আহমাদ ১৩৮৩৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১০০-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলতেন, তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াও, তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াও, তোমরা সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়াও। একই কথা বারবার বলার মধ্যে কাতার সোজা করার গুরুত্ব বোঝা যায়। এরপর তিনি কসম করে বলেন, তিনি সামনে যেমন দেখতে পান, পেছনেও তেমন দেখতে পান। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, সালাতের কাতার ও দাঁড়ানোর ভঙ্গি ঠিক রাখা। মুসল্লিরা যেন কাতারে বাঁকা, ঢিলা বা এলোমেলোভাবে না দাঁড়ায়। ইমামের নির্দেশ শুনে সোজা হওয়া, কাতার ঠিক রাখা এবং নামাজের আগে প্রস্তুত হওয়া—এসব এই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা। সালাতের শৃঙ্খলা ছোট বিষয় মনে হলেও নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তা বারবার স্মরণ করিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে সোজা হয়ে দাঁড়ানো বারবার নির্দেশিত হয়েছে।
- কাতার ঠিক রাখা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর গুরুত্ব দেওয়া বিষয়।
- ইমামের নির্দেশ শুনে মুসল্লিদের দ্রুত সোজা হওয়া উচিত।
