২/১৩. অধ্যায়ঃ

ভীতিকর অবস্থার সময় সালাত - প্রত্যেক দলের সাথে ইমামের দু’ রাক’আত সালাত প্রত্যেকের দলের জন্য স্বতন্ত্র সালাত গণ্য হবে

সালাতুল খাওফ: প্রত্যেক দলের সঙ্গে দুই রাকআত করে সালাত

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৪৭৯

وَلِلنَّسَائِيِّ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَنْ جَابِرٍ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - صَلَّى بِطَائِفَةٍ مِنْ أَصْحَابِهِ رَكْعَتَيْنِ, ثُمَّ سَلَّمَ, ثُمَّ صَلَّى بِآخَرِينَ أَيْضًا رَكْعَتَيْنِ, ثُمَّ سَلَّمَ

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের একদলকে দু’রাক’আত সালাত পড়িয়েছিলেন, তারপর সালাম ফিরালেন। তারপর অন্যদলকে দু’রাক’আত সালাত আদায় করালেন, তারপর সালাম ফিরালেন। [৫১৬]

[৫১৬] নাসায়ী ১৫৫২, ১৫৫৪

বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৭৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে সালাতুল খাওফের আরেকটি পদ্ধতি এসেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবিদের একদলকে দুই রাকআত সালাত পড়ালেন, তারপর সালাম ফিরালেন। এরপর আরেক দলকে দুই রাকআত সালাত আদায় করালেন, তারপর সালাম ফিরালেন। এখানে আগের বর্ণনাগুলোর মতো পালাক্রমে নিরাপত্তা ও সালাতের বিষয় আছে, তবে পদ্ধতিতে আলাদা রূপ দেখা যাচ্ছে। মূল শিক্ষা হলো, ভীতিকর অবস্থায় সালাত আদায়ের একাধিক বর্ণিত পদ্ধতি আছে। টেক্সট আমাদের দেখায়, ইমাম এক দলের সঙ্গে সালাত শেষ করে আরেক দলের সঙ্গে আলাদা সালাতও আদায় করিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, কঠিন পরিস্থিতিতে জামাআত ও নিরাপত্তা দুটোই গুরুত্ব পায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাতুল খাওফের বর্ণনায় একাধিক পদ্ধতি পাওয়া যায়।
  • ইমাম এক দলের সঙ্গে সালাত শেষ করে অন্য দলের সঙ্গেও সালাত পড়িয়েছেন।
  • ভয়ের অবস্থায়ও জামাআতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন