২/৯. অধ্যায়ঃ

আসরের নামাজ বিলম্বে আদায় করা

হাদিসের সনদ তুলনা: কোন বর্ণনা বেশি সঠিক

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৬৩

وَحَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْبَصْرِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ ‏.‏

বিশর ইবনু মু’আয হতে বর্ণিতঃ

বিশর ইবন মু‘আয, ইসমাঈল ইবন উলাইয়া হতে ইবন জুরাইজের সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

আর এই বর্ণনাটি অধিক সহীহ্।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনাটির মূল বিষয় হলো হাদিসের সনদ তুলনা। এখানে বলা হয়েছে, বিশর ইবন মু‘আয, ইসমাঈল ইবন উলাইয়া হতে ইবন জুরাইজের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এরপর বলা হয়েছে, এই বর্ণনাটিই বেশি সঠিক। তাই এটি কোনো আলাদা আমল বা নতুন নামাজের নিয়ম দিচ্ছে না; বরং একই বিষয়ে বর্ণনার সূত্রের মধ্যে কোন পথটি বেশি মজবুত, তা দেখাচ্ছে। সহজভাবে বললে, হাদিসের ক্ষেত্রে শুধু কথা মিললেই শেষ নয়; বর্ণনাকারী কারা, সূত্রটি কেমন, এবং অন্য বর্ণনার সঙ্গে মিল-অমিল আছে কি না—এসবও দেখা হয়। এই কারণে হাদিসশাস্ত্রে সনদ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা বুঝি, আলেমরা হাদিস সংরক্ষণে খুব সতর্ক ছিলেন। তাই কোনো হাদিস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আগে তার পাঠ ও সূত্র দুটিই সম্মানের সঙ্গে দেখা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • একই হাদিসের একাধিক সূত্র থাকলে আলেমরা তা তুলনা করতেন।
  • বর্ণনার সঠিকতা নির্ধারণে সনদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • এই পাঠ থেকে নতুন বিধান নয়, বরং হাদিস যাচাইয়ের সতর্কতা শেখা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন