১৪/৮. অধ্যায়ঃ
জুমু'আর দিনে গোসল করা জরুরী হওয়া
বালেগ ব্যক্তির ওপর জুমার গোসল: হাদিসের সরল শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৭৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৩৭৭
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ»
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : জুমআর দিনের গোসল সকল বালেগ ব্যক্তির ওপর আবশ্যক।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, জুমার দিনের গোসল সকল বালেগ ব্যক্তির ওপর আবশ্যক। হাদিসটির মূল কথা খুব সরল। জুমার দিন মুসলিমদের বড় জমায়েতের দিন। তাই বালেগ ব্যক্তির জন্য পরিচ্ছন্ন হয়ে আসার গুরুত্ব এখানে স্পষ্ট হয়েছে। এই হাদিসে অন্য কোনো বিস্তারিত শর্ত বা আলাদা আলোচনা নেই। তাই মূল শিক্ষা হলো, যাদের ওপর জুমার দায়িত্ব আসে, তাদের জুমার দিনের পরিচ্ছন্নতাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ‘জুমার গোসল’ শুধু বাহ্যিক পরিষ্কার নয়; এটি জুমার প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে হাদিসে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনের গোসল বালেগ ব্যক্তির ওপর আবশ্যক বলা হয়েছে।
- জুমার জন্য শারীরিক পরিচ্ছন্নতা গুরুত্বপূর্ণ।
- বড় জমায়েতে পরিষ্কার হয়ে উপস্থিত হওয়া ভালো আদব।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও নির্দেশটি স্পষ্ট।
