১৪/৮. অধ্যায়ঃ
জুমু'আর দিনে গোসল করা জরুরী হওয়া
প্রতি সাত দিনে জুমার গোসল: পরিচ্ছন্নতার সুন্দর শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৩৭৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৩৭৮
أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلَى كُلِّ رَجُلٍ مُسْلِمٍ فِي كُلِّ سَبْعَةِ أَيَّامٍ غُسْلُ يَوْمٍ وَهُوَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ»---[حكم الألباني] صحيح لغيره
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির ওপর প্রত্যেক সাত দিনের একদিন গোসল করা ফরজ এবং সেদিনই হলো জুমুআর দিন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৩৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রত্যেক মুসলিম পুরুষের ওপর প্রতি সাত দিনে একদিন গোসল করা ফরজ, আর সে দিন হলো জুমার দিন। হাদিসে জুমার দিনের পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব খুব সহজভাবে এসেছে। সপ্তাহে একদিন বিশেষভাবে গোসল করার নির্দেশ শরীরকে পরিষ্কার রাখার শিক্ষা দেয়। যেহেতু জুমার দিন মানুষ সালাতে একত্র হয়, তাই এই দিনের গোসলের কথা আলাদা করে বলা হয়েছে। হাদিসে ‘প্রত্যেক সাত দিনে’ এবং ‘জুমার দিন’—দুইটি বিষয় স্পষ্ট। তাই মূল শিক্ষা হলো, জুমার দিনের প্রস্তুতিতে পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতি সাত দিনে একদিন গোসল করার কথা হাদিসে এসেছে।
- সেই দিন হিসেবে জুমার দিন উল্লেখ করা হয়েছে।
- জুমার দিনে পরিচ্ছন্নতা বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
- সমাজে একত্র হওয়ার আগে নিজেকে পরিষ্কার রাখা ভালো আদব।
