৩৮/৩১. অধ্যায়ঃ
কাযা’ চুল কিছু কামানো কিছু ছেড়ে দেয়া মাকরূহ
কাযা চুল কাটার নিষেধ: একই বর্ণনার আরেক সনদ
সহীহ মুসলিম : ৫৪৫৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৪৫৪
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ الْغَطَفَانِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ، ح وَحَدَّثَنِي أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، عَنْ عُمَرَ بْنِ، نَافِعٍ بِإِسْنَادِ عُبَيْدِ اللَّهِ . مِثْلَهُ وَأَلْحَقَا التَّفْسِيرَ فِي الْحَدِيثِ .
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরা উভয়ে ব্যাখ্যাটিকে (মূল) হাদীসের সাথে যুক্ত করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৩৭৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৩৯৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৪৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাযা নিষেধের আগের বর্ণনাই আবার এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, উপরোক্ত সানাদে হুবহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে এবং দুই বর্ণনাকারী ব্যাখ্যাটিকে মূল হাদিসের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। কাযার ব্যাখ্যা হলো শিশুর মাথার কিছু চুল কামানো এবং কিছু চুল রেখে দেওয়া—এই অর্থ আগের বর্ণনায় স্পষ্ট হয়েছে। এই হাদিসের বিশেষ গুরুত্ব হলো, একই বিষয় বিভিন্ন সানাদে কীভাবে এসেছে তা বোঝা। পাঠক যেন নতুন কোনো আলাদা ঘটনা মনে না করেন, সেজন্য বলা যায়—এটি মূলত কাযা চুল কাটার নিষেধের সনদগত বর্ণনা। এখানে অতিরিক্ত কোনো বিধান যোগ করা হয়নি; শুধু আগের কথার সমর্থন এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাযা নিষেধের বক্তব্য আগের বর্ণনার সঙ্গে একই।
- কিছু বর্ণনায় ব্যাখ্যাটি মূল হাদিসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- হাদিস বুঝতে সনদ ও বর্ণনার ধরন দেখা দরকার।
- চুল কাটার ক্ষেত্রে কাযা থেকে দূরে থাকার শিক্ষা পুনরায় স্পষ্ট হয়।
