৩৮/৩১. অধ্যায়ঃ
কাযা’ চুল কিছু কামানো কিছু ছেড়ে দেয়া মাকরূহ
কাযা নিষেধের হাদিস: ইবনু উমর রাঃ-এর বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৫৪৫৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৪৫৫
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَحَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ، زَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّرَّاجِ، كُلُّهُمْ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদিস বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৩৭৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৩৯৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৪৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে আগের একই বিষয় বর্ণিত হয়েছে। মূল বিষয় হলো কাযা নিষেধ। আগের বর্ণনাগুলোতে কাযার অর্থ স্পষ্ট করা হয়েছে—শিশুর মাথার কিছু চুল কামানো এবং কিছু চুল রেখে দেওয়া। এই হাদিসে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা বা নতুন ব্যাখ্যা নেই; বরং একই নিষেধাজ্ঞা আরেক সানাদে এসেছে। তাই এটি কাযা চুল কাটার হাদিসের ধারাবাহিকতা বোঝায়। যারা ইসলামে চুল কাটার আদব জানতে চান, তাঁদের জন্য এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে বোঝা যায় যে নির্দিষ্ট ধরনের চুল কাটার ভঙ্গি নবী صلى الله عليه وسلم নিষেধ করেছেন। তবে বর্ণনার সীমা অতিক্রম করে অন্য স্টাইল নিয়ে সিদ্ধান্ত এখানে বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে কাযা নিষেধের বর্ণনা এসেছে।
- একই শিক্ষা বিভিন্ন সানাদে বর্ণিত হতে পারে।
- শিশুর মাথার চুল কাটার ক্ষেত্রে সতর্কতা দরকার।
- হাদিসের বক্তব্য যতটুকু, ব্যাখ্যাও ততটুকুতে রাখা উচিত।
