৪/১৯. অধ্যায়ঃ
সালাতের মাঝে যে সব কাজ করা নাজায়েজ ও যে সব কাজ করা জায়েজ - প্রথম অনুচ্ছেদ
সালাতে আসমানের দিকে দৃষ্টি তোলার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৯৮৩-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৯৮৩-[৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ؓ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ رَفْعِهِمْ أَبْصَارَهُمْ عِنْدَ الدُّعَاءِ فِي الصَّلَاةِ إِلَى السَّمَاءِ أَوْ لَتُخْطَفَنَّ أَبْصَارُهُمْ . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ লোকেরা যেন সালাতে দু‘আ করার সময় নযরকে আসমানের দিকে ক্ষেপন না করে। অন্যথায় তাদের দৃষ্টিকে ছোঁ মেরে নেয়া হবে। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৪২৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৯৮৩-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের মধ্যে দু‘আ করার সময় দৃষ্টি কোথায় থাকবে, সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, লোকেরা যেন সালাতে দু‘আ করার সময় নজরকে আসমানের দিকে না তোলে। অন্যথায় তাদের দৃষ্টি ছোঁ মেরে নেওয়া হবে। হাদিসের ভাষা খুব স্পষ্ট ও সতর্কতামূলক। তাই সালাতে আসমানের দিকে তাকানোকে সাধারণ অভ্যাস হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। সালাত হলো বিনয়ের ইবাদত; সেখানে দৃষ্টি, ভঙ্গি ও মনোভাব সবই সংযত হওয়া দরকার। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, দু‘আ আল্লাহর কাছে হলেও দৃষ্টির আদব বজায় রাখা জরুরি। সালাতে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ ও বিনয় একসঙ্গে চলে। তাই নামাজে অকারণে উপরে তাকানো থেকে বাঁচা মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে দু‘আর সময় আসমানের দিকে তাকানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
- দু‘আ করার সময়ও সালাতের আদব বজায় রাখা দরকার।
- হাদিসের কঠোর সতর্কতা সালাতে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বোঝায়।
