৪/৫. অধ্যায়ঃ
আজানের ফজিলত ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
আযানের জবাব শেষে আল্লাহর কাছে চাওয়া
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৭৩-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৭৩-[২০]
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ الْمُؤَذِّنِينَ يَفْضُلُونَنَا فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ قُلْ كَمَا يَقُولُونَ فَإِذَا انْتَهَيْتَ فَسَلْ تُعْطَ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি আবেদন করল, হে আল্লাহর রাসূল! আযানদান তা’ তো আমাদের চেয়ে মর্যাদায় বেড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তারা যেভাবে বলে তোমরাও তাদের সাথে সাথে সেভাবে বলে যাও। আর আযানের উত্তরে শেষে যা খুশী তাই আল্লাহর কাছে চাও, তোমাদেরকে দেয়া হবে। [১]
[১] হাসান সহীহ : আবূ দাঊদ ৫২৪। সহীহ আত্ তারগীব ২৫৬।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৩-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মুয়াযযিনরা তো আমাদের চেয়ে মর্যাদায় এগিয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم উত্তরে বললেন, তারা যেভাবে বলে তোমরাও তাদের সঙ্গে সঙ্গে সেভাবে বলো। এরপর আযানের জবাব শেষ হলে যা চাইবে, আল্লাহর কাছে চাও; তোমাদেরকে দেওয়া হবে। এই হাদিসে আযানের জবাবের ফজিলত স্পষ্ট। মুয়াযযিন আযান দিয়ে মানুষকে সালাতের দিকে ডাকেন, আর শ্রোতা তার জবাব দিয়ে সেই ডাকে অংশ নেয়। তারপর দোয়ার সুযোগ আসে। তাই আযান শুনে চুপ থাকা বা অমনোযোগী হওয়া ঠিক নয়; বরং জবাব দিয়ে শেষে আল্লাহর কাছে চাওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুয়াযযিনের কথার জবাব দেওয়া আযানের আদব।
- আযানের শেষে আল্লাহর কাছে দোয়া করার উৎসাহ এসেছে।
- মুয়াযযিনের কাজের মর্যাদা দেখে ঈর্ষা নয়, আমলের পথ নেওয়া উচিত।
- আযানের সময় মনোযোগী থাকা মুমিনের সুন্দর অভ্যাস।
