৩/৬. অধ্যায়ঃ
নাপাক ব্যক্তির সাথে মেলামেশা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মসজিদের পবিত্রতা ও নাপাক অবস্থার আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬২-[১২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬২-[১২]
عَنْ عَائِشَةَ قالت قَالَ النَّبِيّ ﷺ وَجِّهُوا هذِهِ الْبُيُوتَ عَنِ الْمَسْجِدِ فَإِنِّي لَا أُحِلُّ الْمَسْجِدَ لِحَائِضٍ وَلَا جُنُبٍ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ এসব ঘরের দরজা মসজিদে নাবাবীর দিক হতে ফিরিয়ে দাও। আমি মসজিদকে ঋতুবতী মহিলা ও নাপাক ব্যক্তির জন্য জায়িয মনে করি না। [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ২৩২, য‘ঈফুল জামি‘ ৬১১৭। কারণ এর সানাদে জামরাহ্ বিনতু দাজাজাহ্ নামে একজন দুর্বল রাবী রয়েছে।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬২-[১২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়। নবী صلى الله عليه وسلم ঘরের দরজাগুলো মসজিদের দিক থেকে ফিরিয়ে দিতে বলেছিলেন এবং বলেছেন, তিনি মসজিদকে ঋতুবতী মহিলা ও নাপাক ব্যক্তির জন্য জায়িয মনে করেন না। হাদিসের মূল বিষয় হলো মসজিদের মর্যাদা ও পবিত্রতা। মসজিদ ইবাদতের জায়গা, তাই সেখানে প্রবেশ ও অবস্থানের ক্ষেত্রে শরীরের পবিত্রতার দিকে খেয়াল রাখা দরকার। এখানে ঋতুবতী মহিলা ও জানাবাত অবস্থার কথা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় এতটুকুই বলা যায় যে, মসজিদের সাথে যুক্ত আচরণে পবিত্রতা, শালীনতা ও সতর্কতা রাখা মুসলিমের দায়িত্ব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিমদের দায়িত্ব।
- ঋতুবতী ও নাপাক অবস্থায় মসজিদ সম্পর্কিত আদব মানতে হয়।
- ইবাদতের জায়গার মর্যাদা রক্ষায় সতর্ক থাকা উচিত।
- নবী صلى الله عليه وسلم মসজিদের সাথে পবিত্রতার সম্পর্ক স্পষ্ট করেছেন।
