১১/১১. অধ্যায়ঃ
ইহরাম অবস্থায় যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইহরামে সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৯১-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৯১-[১৪]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ كَانَ يَدَّهِنُ بِالزَّيْتِ وَهُوَ مُحْرِمٌ غَيْرَ الْمُقَنَّتِ يَعْنِىْ غَيْرَ الْمُطَيَّبِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার করতেন। (তিরমিযী)[১]
[১] সানাদ দুর্বল : তিরমিযী ৯৬২, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১৪৮২০, আহমাদ ৫২৪২। কারণ এর সনদে ফারক্বদ আস্ সাবাখী একজন দুর্বল রাবী।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৯১-[১৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় তেল ব্যবহার করতেন, তবে তা সুগন্ধিযুক্ত ছিল না। আরবিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, অর্থাৎ তা সুগন্ধি মিশ্রিত তেল ছিল না। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো ইহরামে সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার। ইহরামের সময়ে শরীরের পরিচর্যা দরকার হতে পারে, কিন্তু সুগন্ধির বিষয়টি আলাদা। এখানে তেলের ধরন স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: গন্ধহীন। তাই ব্যাখ্যায় সুগন্ধিযুক্ত তেল, আতর বা অন্য প্রসাধনের সঙ্গে বিষয়টি মিশিয়ে ফেলা উচিত নয়। যারা হজে ইহরাম অবস্থায় তেল লাগানো যাবে কি না জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সংক্ষিপ্ত কিন্তু কাজে লাগার মতো একটি বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার করতেন।
- তেলের ক্ষেত্রে সুগন্ধি না থাকা বিষয়টি বর্ণনায় স্পষ্ট।
- ইহরামে শরীরের স্বাভাবিক পরিচর্যার দিক আছে।
- হাদিসের সীমা মেনে সুগন্ধিযুক্ত জিনিস আলাদা করে দেখা দরকার।
