১১/৭. অধ্যায়ঃ

কুরবানির পশুর বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশি রাখা যাবে কি

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৩৯-[১৩]

وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: كُنَّا لَا نَأْكُلُ مِنْ لُحُومِ بُدْنِنَا فَوْقَ ثَلَاثٍ فَرَخَّصَ لَنَا رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ فَقَالَ: كُلُوْا وَتَزَوَّدُوْا. فَأَكَلْنَا وَتَزَوَّدْنَا. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা কুরবানীর উটের গোশ্‌ত (গোসত/গোশত) তিন দিনের বেশি খেতাম না। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অনুমতি দিয়ে বললেন, তিন দিনের বেশি সময় ধরে খেতে এবং ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিতে পারো। তাই আমরা খেলাম ও (ভবিষ্যতের জন্য) রেখে দিলাম। (বুখারী ও মুসলিম)[১]

[১] সহীহ : বুখারী ১৭১৯, মুসলিম ১৯৭২, আহমাদ ১৪৪১২, নাসায়ী ৪৪২৬, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৯২০৮, ইরওয়া ১১৫৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৯২৫।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৩৯-[১৩]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাবির (রাঃ) বলেন, তাঁরা আগে কুরবানীর উটের গোশত তিন দিনের বেশি খেতেন না। পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের অনুমতি দেন এবং বলেন, তোমরা খাও এবং ভবিষ্যতের জন্য রেখে দাও। এরপর তাঁরা খেয়েছেন এবং রেখে দিয়েছেন। হাদিসটি কুরবানীর গোশত সংরক্ষণের বিষয়ে সরাসরি কথা বলে। এখানে দুই অবস্থা দেখা যায়: আগে তিন দিনের বেশি খাওয়া হতো না, পরে অনুমতি দেওয়া হয়। তাই কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশি রাখা, সংরক্ষণ করা এবং পরে খাওয়ার আলোচনা করতে হলে এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক। হাদিসটি অতিরঞ্জন নয়; বরং অনুমতির সহজ ভাষা—খাও এবং জমা রাখো—এই শিক্ষাই দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আগে সাহাবীগণ কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশি খেতেন না।
  • পরে নবীজি তিন দিনের বেশি খাওয়া ও জমা রাখার অনুমতি দেন।
  • কুরবানীর গোশত ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার কথা এসেছে।
  • হাদিসে অনুমতির ভাষা সহজ ও সরাসরি এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন