৯/০. অধ্যায়ঃ
দোয়া - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
তাকদীরের ব্যাপারে দু‘আর ভূমিকা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২২৩৩-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২২৩৩-[১১]
وَعَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِىِّ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «لَا يَرُدُّ الْقَضَاءَ إِلَّا الدُّعَاءُ وَلَا يَزِيدُ فِى الْعُمْرِ إِلَّا الْبِرُّ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু‘আ ছাড়া অন্য কিছুই তাকদীদের লিখনকে পরিবর্তন করতে পারে না এবং নেক ‘আমাল ছাড়া অন্য কিছু বয়স বাড়াতে পারে না। (তিরমিযী)[১]
[১] হাসান লিগায়রিহী : তিরমিযী ২১৩৯, মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৬১২৮, সহীহাহ্ ১৫৪, সহীহ আত্ তারগীব ১৬৩৯, সহীহ আল জামি‘ ৭৬৮৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২২৩৩-[১১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দু‘আ ও নেক আমলের প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দু‘আ ছাড়া অন্য কিছু তাকদীরের লিখনকে পরিবর্তন করতে পারে না এবং নেক আমল ছাড়া অন্য কিছু বয়স বাড়াতে পারে না। হাদিসের ভাষা বান্দাকে দু‘আ ও সৎ কাজে উৎসাহ দেয়। এখানে তাকদীরের বিস্তারিত ব্যাখ্যা নয়; বরং বান্দার করণীয় সামনে আনা হয়েছে। একজন মুমিন নিজের বিপদ, দরকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে। একই সঙ্গে নেক কাজ, ভালো আচরণ ও আল্লাহর আনুগত্যে যত্নবান হবে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দু‘আ ও নেক আমল চালিয়ে যাওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দু‘আ বান্দার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের মাধ্যম।
- নেক আমল বয়স ও জীবনের বরকতের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- তাকদীরের আলোচনায় বান্দার করণীয় হলো দু‘আ ও সৎ কাজ।
- আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং ভালো কাজে থাকা একসঙ্গে দরকার।
