৮/০. অধ্যায়ঃ
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা মুলকের শাফা‘আতের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৫৩-[৪৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৫৩-[৪৫]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: إِنَّ سُورَةً فِى الْقُرْاٰنِ ثَلَاثُونَ اٰيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتّٰى غُفِرَ لَه وَهِىَ: ﴿تَبَارَكَ الَّذِىْ بِيَدِهِ الْمُلْكُ﴾ رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِىُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে, যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করেছে। ফলে তাকে মাফ করে দেয়া হয়েছে। সে সূরাটি হচ্ছে, ‘তাবা-রাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক’। (আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ)[১]
[১] হাসান লিগায়রিহী : আবূ দাঊদ ১৪০০, তিরমিযী ২৮৯১, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৬, মুসতাদারাক লিল হাকিম ২০৭৫, সহীহ আত্ তারগীব ১৪৭৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭৮৭, শু‘আবূল ঈমান ২৫০৬।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫৩-[৪৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূরা মুলকের একটি বড় ফজিলত এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কুরআনে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে, যা এক ব্যক্তির জন্য শাফা‘আত করেছে, ফলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর সূরাটির নাম বলা হয়েছে: ‘তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক’। এখানে সূরা মুলক, শাফা‘আত এবং মাগফিরাত—এই তিনটি বিষয় একসাথে এসেছে। হাদিসটি মানুষকে সূরা মুলক তিলাওয়াতে উৎসাহ দেয়, তবে মূল উদ্দেশ্য শুধু সংখ্যা পূরণ নয়; কুরআনের সাথে নিয়মিত সম্পর্ক গড়া। সূরা মুলকের ফজিলত নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা মুলক ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা, যার শাফা‘আতের কথা এসেছে।
- কুরআন তিলাওয়াত মাগফিরাতের আশার কারণ হতে পারে।
- নিয়মিত কুরআনের সাথে সম্পর্ক রাখা মুমিনের জন্য কল্যাণকর।
- ফজিলতের কথা শুনে আমলে আগ্রহী হওয়া উচিত।
