৮/০. অধ্যায়ঃ
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মুসাব্বিহাত বর্ণনার সনদ নোট
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৫২-[৪৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৫২-[৪৪]
وَرَوَاهُ الدَّارِمِىُّ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ مُرْسَلًا وَقَالَ التِّرْمِذِىُّ: هٰذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
দারিমী মুরসাল হতে বর্ণিতঃ
হাদীস হিসেবে খালিদ ইবনু মা‘দান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান গরীব।[১]
[১] হাসান : দারিমী ৩৪২৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫২-[৪৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশটি পূর্ণ আলাদা কোনো দীর্ঘ ঘটনা নয়; বরং আগের মুসাব্বিহাত সম্পর্কিত বর্ণনার সনদ ও মান নিয়ে সংক্ষিপ্ত নোট। এখানে বলা হয়েছে, দারিমী খালিদ ইবনু মা‘দান থেকে মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আবার ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদিসটি হাসান গরীব। এ ধরনের নোট পাঠককে হাদিস বুঝতে সাহায্য করে। কারণ কোনো ফজিলত শুনলেই শুধু আমলের কথা দেখা যথেষ্ট নয়; বর্ণনার ধরন, সনদ এবং মুহাদ্দিসের মন্তব্যও জানা দরকার। মুসাব্বিহাত পাঠের আমল আগের হাদিসে এসেছে, আর এই নোট সেই বর্ণনার অবস্থান বুঝতে সহায়ক। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো—হাদিসের ভাষ্য ও বর্ণনার মান দুটোই গুরুত্বের সাথে দেখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের সনদ সম্পর্কে মুহাদ্দিসদের মন্তব্য জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- মুরসাল বর্ণনা হলে তা আলাদা করে বুঝতে হয়।
- হাসান গরীব মন্তব্য বর্ণনার মান সম্পর্কে পাঠককে সতর্ক করে।
- ফজিলতের আমল বলার সময় সনদের নোট বাদ দেওয়া উচিত নয়।
