৬/৮. অধ্যায়ঃ
স্বামীর সম্পদ থেকে স্ত্রীর সদাকা করা - প্রথম অনুচ্ছেদ
স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সাওয়াব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৪৮-[২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৪৮-[২]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «إِذَا أَنْفَقَتِ الْمَرْأَةُ مِنْ كَسْبِ زَوْجِهَا مِنْ غَيْرِ أَمْرِه فَلَهَا نِصْفُ أَجْرِه». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
স্ত্রী তার স্বামীর অর্জিত-ধন সম্পদ হতে তার অনুমতি ছাড়া দান খয়রাত করলে এর সাওয়াব (স্ত্রী) অর্ধেক পাবে। (বুখারী, মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ২০৬৬, মুসলিম ১০২৬, আবূ দাঊদ ১৬৮৭, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক্ব ৭২৭২, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ৭৩১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৪৮-[২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে স্ত্রী স্বামীর অর্জিত সম্পদ থেকে দান করলে তার সাওয়াবের কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, স্ত্রী যদি স্বামীর অর্জিত ধন-সম্পদ থেকে তার অনুমতি ছাড়া দান-খয়রাত করে, তাহলে সে অর্ধেক সাওয়াব পাবে। এখানে দানের সঙ্গে সম্পদের মালিকানা ও অনুমতির বিষয়টি জড়িত। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দান ভালো কাজ হলেও অন্যের সম্পদ ব্যবহারে সতর্কতা দরকার। পরিবারের ভেতরে সদাকাহর কাজ যেন বোঝাপড়া ও আমানতের সঙ্গে হয়। একই সঙ্গে হাদিসে দানের সাওয়াবের দরজা বন্ধ করা হয়নি; বরং নির্দিষ্ট অবস্থায় স্ত্রীর অংশের কথা বলা হয়েছে। তাই স্বামী-স্ত্রীর সম্পদ, অনুমতি ও সদাকাহ বিষয়ে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের অর্জিত সম্পদ থেকে দানে অনুমতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
- স্ত্রীর দানের জন্য নির্দিষ্ট অবস্থায় অর্ধেক সাওয়াবের কথা এসেছে।
- সদাকাহ ভালো কাজ, তবে আমানতের সীমা রক্ষা করা দরকার।
- পরিবারে দান-খয়রাত বোঝাপড়া রেখে করা ভালো।
