৭/৮. অধ্যায়ঃ
অপর ব্যক্তির উপর ঋণ ন্যস্ত করা ও কোন বস্তুর যামীন হওয়া - হাদ্দের ক্ষেত্রে জিম্মা নেওয়ার বিধান
হদ্দের ক্ষেত্রে কাফালা নেই: দুর্বল সানাদের বর্ণনার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৮৭৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৮৭৯
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا كَفَالَةَ فِي حَدٍّ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ
আম্র বিন শু'আইব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হদ্-এর ব্যাপারে কোন জিম্মাদারী নেই । -বাইহাকী দুর্বল সানাদে । [৯৪৫]
[৯৪৫] হাদিসটি মুনকার, তাওযিহুল আহকাম ৪/৫৩০ পৃঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৮৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নামে বর্ণিত হয়েছে, হদ্দের ব্যাপারে কোনো জিম্মাদারি নেই। বর্ণনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাইহাকী এটি দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন। তাই এখানে দুইটি বিষয় বুঝতে হবে। প্রথমত, হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তির ক্ষেত্রে সাধারণ ঋণ বা লেনদেনের মতো জিম্মাদারি প্রযোজ্য নয়—এ কথা বর্ণনায় এসেছে। দ্বিতীয়ত, যেহেতু সানাদ দুর্বল বলা হয়েছে, তাই একে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা দরকার। এই হাদিস বিচারিক বিষয় নিয়ে, তাই সাধারণ আলোচনা বা সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো—গুরুতর বিষয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল ও সতর্ক বোঝাপড়া জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হদ্দের মতো গুরুতর বিষয়ে সতর্কভাবে দলিল বুঝতে হয়।
- বর্ণনার সানাদ দুর্বল হলে সিদ্ধান্তে সাবধানতা দরকার।
- কাফালা বা জিম্মাদারি সব বিষয়ে একইভাবে প্রযোজ্য নয়।
