৩/০. অধ্যায়ঃ
জানাযার সালাতে তাকবীরের সংখ্যা
বদরী সাহাবীর জানাযায় ছয় তাকবীরের বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ৫৬৩
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৫৬৩
وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه: أَنَّهُ كَبَّرَ عَلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ سِتًّا, وَقَالَ: إِنَّهُ بَدْرِيٌّ. رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍوَأَصْلُهُ فِي الْبُخَارِيِّ
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের (জানাযার সলাতে) ছয় তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইব্নু হুনায়ফ) ছিলেন একজন বাদ্রী সাহাবী। সা‘ঈদ বিন মানসুর এটি বর্ণনা করেছেন আর এর মূল বক্তব্য বুখারীতে রয়েছে। [৬০০]
[৬০০] বুখারী ৪০০৪। বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, ইব্নু মা‘কিল (রাঃ) হতে বর্ণিত যে (তিনি বলেছেন), ‘আলী (রাঃ) সাহল ইব্নু হুনায়ফের (জানাযার সলাতে) তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহ ইব্নু হুনায়ফ) বাদ্র যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৫৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ)-এর একটি আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-এর জানাযার সালাতে ছয় তাকবীর বলেন। এরপর তিনি কারণ হিসেবে বলেন, সাহল ইবনু হুনায়ফ ছিলেন একজন বদরী সাহাবী। এই বর্ণনায় জানাযার তাকবীরের পাশাপাশি সাহাবীদের মর্যাদার কথাও এসেছে। তবে হাদিসটি শুধু এই নির্দিষ্ট ঘটনার কথা জানায়; তাই এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়। মূল বিষয় হলো, আলী (রাঃ) একটি বিশেষ সাহাবীর জানাযায় ছয় তাকবীর বলেন এবং তাঁর বদরে অংশগ্রহণের মর্যাদা উল্লেখ করেন। জানাযার সালাত ও সাহাবীদের সম্মান—দুই দিক থেকেই হাদিসটি শিক্ষণীয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আলী (রাঃ) সাহল ইবনু হুনায়ফের জানাযায় ছয় তাকবীর বলেছেন।
- বদরী সাহাবীদের মর্যাদা সাহাবীদের কাছেও বিশেষভাবে স্মরণীয় ছিল।
- কোনো বর্ণনা বুঝতে হলে তার নির্দিষ্ট ঘটনা ও কথাগুলোকে আলাদা করে দেখা দরকার।
