২/১২. অধ্যায়ঃ
জুমু’আর সালাত - যখন ঈদের ও জুমু’আর সালাত একদিনে হবে তখন কেউ যদি ঈদের সালাত পড়ে নেয় তাহলে তাকে জুমু’আর সালাত পড়তে হবে না
ঈদের দিন জুমু‘আহ হলে ছাড়ের বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ৪৫৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৪৫৯
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ - رضي الله عنه - قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - الْعِيدَ, ثُمَّ رَخَّصَ فِي الْجُمُعَةِ, فَقَالَ: «مَنْ شَاءَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُصَلِّ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ
যায়দ ইবন আর্কাম্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদের সালাত আদায় করে (ঐ দিনের) জুমআহর সালাতের ছাড় দিয়ে বললেন, যার ইচ্ছা হয় সে জুমু’আহ আদায় করবে। - ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন। [৪৯৭]
[৪৯৭] আবূ দাঊদ ১০৭০, নাসায়ী ১৫৯১, ইবনু মাজাহ ১৩৭০, দারিমী ১৬১২।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যায়দ ইবনু আরকাম (রাদি.) বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদের সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি জুমু‘আহর সালাতের বিষয়ে ছাড় দেন এবং বলেন, যার ইচ্ছা হয় সে জুমু‘আহ আদায় করবে। এই বর্ণনা ঈদ ও জুমু‘আহ একই দিনে হলে করণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনায় আসে। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা উচিত। এখানে মূল কথা হলো, নবীজি ঈদের সালাতের পর জুমু‘আহর ব্যাপারে ছাড়ের কথা বলেছেন। বর্ণনার শেষে উল্লেখ আছে, ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন। তাই ঈদের দিন জুমা সম্পর্কিত অনুসন্ধানে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদের দিন জুমু‘আহ হলে ছাড়ের বর্ণনা এসেছে।
- নবীজি ঈদের সালাত আদায়ের পর এই কথা বলেছেন।
- যার ইচ্ছা সে জুমু‘আহ আদায় করবে—এ বাক্য হাদিসে আছে।
- বিষয়টি ব্যাখ্যা করার সময় হাদিসের সীমা বজায় রাখা দরকার।
