২/৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত-এর বিবরণ - বিতর সালাত কাযা করার বিধান
ঘুমিয়ে গেলে বা ভুলে গেলে বিতর নামাজ কী করবে
বুলুগুল মারাম : ৩৮৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৮৮
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ نَامَ عَنْ الْوِتْرِ أَوْ نَسِيَهُ فَلْيُصَلِّ إِذَا أَصْبَحَ أَوْ ذَكَرَ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ
আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিতর না পড়িয়া ঘুমিয়ে গেলো বা তা পড়তে ভুলে গেলো, সে যেন ভোরবেলা অথবা যখন তার স্মরণ হয় তখন তা পড়ে নেয়। [৪২৯]
[৪২৯] আবূ দাঊদ ১৪৩১, তিরমিযী ৪৬৫, ইবনু মাজাহ ১১৮৮, আহমাদ ১০৮৭১
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বিতর না পড়ে ঘুমিয়ে গেল বা ভুলে গেল, সে যেন ভোরবেলা অথবা যখন স্মরণ হয় তখন তা পড়ে নেয়। এখানে ইসলামের সহজতার একটি দিক দেখা যায়। ইচ্ছাকৃত অবহেলা এক বিষয়, আর ঘুম বা ভুলে যাওয়া আরেক বিষয়। এই হাদিস দ্বিতীয় অবস্থার করণীয় বলছে। তাই কেউ যদি সত্যিই ঘুমিয়ে পড়ে বা ভুলে যায়, তাহলে হতাশ না হয়ে স্মরণ হলে সালাত আদায় করবে। তবে এটাকে অজুহাত বানিয়ে নিয়মিত দেরি করা হাদিসের উদ্দেশ্য নয়। মূল শিক্ষা হলো—বিতর সালাতের যত্ন থাকবে, আর ছুটে গেলে সংশোধনের চেষ্টা থাকবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুম বা ভুলের কারণে বিতর ছুটে গেলে স্মরণ হলে আদায় করার নির্দেশ আছে।
- ইবাদতে ভুল হলে সংশোধনের পথ খোলা আছে।
- বিতর সালাতের প্রতি যত্নশীল থাকা উচিত।
